12/11/2023
এখন উত্তরা দিয়াবাড়ী মেট্রোরেলের পাশে জমির মালিকান সহ ফ্ল্যাট পজিশন কিনে অর্ধেক টাকায় তৈরি করুন স্বপ্নের ফ্ল্যাট। ``উম্মাহ গ্লোবাল প্রোপার্টি লিমিটেড`` আপনাদের জন্য নতুন প্রকল্প নিয়ে হাজির “এস আই মেট্রো ভিউ”।
জমির পরিমান ৭.৫ কাঠা এবং প্রতি তলায় ৩টি করে ৯টি ফ্লোরে মোট ২৭টি ফ্ল্যাট নির্মান হবে।
এক নজরে প্রজেক্ট এর বিবরণ
ভবনের নাম : এস.আই মেট্রো ভিউ
লোকেশন : দিয়াবাড়ী, উত্তরা
ভবনের ফ্লোর সংখ্যা : ১০ তলা (জি +৯)
ইউনিট সাইজ : ১৪৩৫ (কম/বেশি) স্কয়ার ফুট কমনস্পেসসহ)
বেড রুম : ৩টি
ড্রয়িং রুম : ১টি
ডাইনিং রুম : ১টি
বাথরুম : ৩টি
বারান্দা : ৩টি
লিফট : ১টি
সিড়ি : ১টি
জেনারেটর : ১টি
সাবস্টেশন : ১টি
নির্মাণ সময়কাল : ৩৬ মাস এবং ব্যাক আপটাইম ৬ মাস
কন্সট্রাকশন কাজ শুরুর সম্ভাব্য সময়: এপ্রিল ২০২৪ইং (সম্ভাব্য)
কন্সট্রাকশন কাজ শেষের সম্ভাব্য সময়: ডিসেম্বর ২০২৭ইং (সম্ভাব্য) : ১০ তলা- জি+৯
প্রজেক্ট এর বৈশিষ্ট্য
নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ।
ডিয়াবাড়ূ গোল চত্তর তথা মেট্রোরেল ষ্টেশন থেকে ২০০ মিটার দুরত্বে অবস্থিত।
আধুনিক ও দক্ষ আর্কিটেক্ট এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক ডিজাইন ও কাজ তত্ত্বাবধান করা হবে।
৭.০ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল ভবন নির্মাণ করা হবে।
সার্বক্ষণিক একাধিক লিফট, শক্তিশালী জেনারেটর, সাবস্টেশন, বিদ্যুৎ সহ সর্বাধুনিক সব আবাসিক সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হবে।
পুরো প্রকল্প নিয়ে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভবন কেন্দ্রীক আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সিসি টিভি ও সার্বিক নিরাপত্তার সব ব্যবস্থাপনা।
সার্বক্ষণিক অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা সংযোজিত হবে।
ভবনে আলাদা মালিক সমিতি গঠন করা হবে।
নিয়মাবলী
জমি ক্রয় সংক্রান্ত
০১. এই ভবনের জন্য নির্ধারিত জমির পরিমাণ ৭.৫ কাঠা এবং প্রতি তলায় ৩টি করে ৯টি ফ্লোরে ছোট-বড় মোট ২৭টি ফ্ল্যাট নির্মিত হবে। তাই পূর্ণাঙ্গ জমিটি পার্কিংসহ আনুপাতিক হারে ২৭ জন গ্রাহককে সাফ-কবলা রেজিস্ট্রেশন দেয়া হবে। এক বা একাধিক যৌথ দলিলের মাধ্যমে উক্ত জমি গ্রাহকদের রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হবে।
০২. বুকিং মানি ফ্ল্যাট পজিশনের মোট মূল্যের কমপক্ষে একতৃতিয়াংশ। বুকিং ফরম ও টাকা জমা দেয়ার সাথে সাথে বুকিং কনফার্মেশন লেটার ও টাকার রশিদ প্রদান করা হবে। বুকিং পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে অথবা কোম্পানীর নির্ধারিত সময়ে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে নিজ নিজ অংশের জমির শেয়ার বুঝে নিতে হবে। বুকিংদাতা কতটি ফ্ল্যাটের মালিক? তাহা উক্ত চুক্তিপত্রে উল্লেখ থাকবে। ভবন নির্মাণ শেষে লটারীর মাধ্যমে যার যার ফ্ল্যাটের অবস্থান নির্ধারণ করা হবে এবং চুক্তিপত্রে উল্লেখ পজিশনের আলোকে সকল মালিকগণের মধ্যে একটি আপোষ বন্টণনামা করা হবে। যা দ্বারা প্রত্যেকের ফ্ল্যাটের উপর মালিকানা নিশ্চিত হবে।
০৩. জমি রেজিস্ট্রেশন ও মিউটেশন বাবদ নির্ধারিত ৫০,০০০/- টাকা (কম/বেশি) প্রত্যেক গ্রাহক আলাদাভাবে পরিশোধ করবেন।
সম্ভাব্য খরচ ও পেমেন্ট এর বিবরণ এবং কাজের সিডিউল:
০৪. ভবন নির্মাণে প্রতি বর্গফুটে ২৫০০/- টাকা হিসেবে খরচ হতে পারে। উক্ত টাকার পরিমাণ বা যাহা খরচ হয় তাহাই গ্রাহকগণ এস.আই গ্রীনকে নির্ধারিত শিডিউলে মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করবেন। ফ্ল্যাটের ভেতরকার টাইলস, ফিটিংস, ইলেক্ট্রিক কেবল ও মালামাল, দরজা- চৌকাঠ, থাই-গ্লাস, রং ও গ্রীল প্রত্যেক গ্রাহক নিজ পছন্দ অনুযায়ী কিনে দেবেন, অথবা টাকা কোম্পানীর একাউন্টে প্রদান করলে কোম্পানী ক্রয় করে দিবেন।
০৫. সম্ভাব্য ২৫,৭০,০০০/- টাকা (কম/বেশি) ফ্ল্যাট মালিকগণ নিম্নোক্ত শিডিউলে পরিশোধ করবেন। আর ফ্ল্যাটের অভ্যন্তরীন টাইলস, ফিটিংস, ইলেকট্রিক কাজ ও রংয়ের কাজের মালামাল এবং লেবার চার্জ নিজেই পরিশোধ করবেন।
০৬. প্রতি মাসের সর্বোচ্চ ১৫ তারিখের মধ্যে কিস্তির টাকা জমা দিতে হবে। ভবন কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত একাউন্টে টাকা জমা দিয়ে অথবা চেক প্রদান করে ফ্ল্যাট মালিকগন রসিদ গ্রহণ করবেন।
০৭. যদি কোন ব্যক্তি একাধারে তিন মাস কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হন তাহলে বকেয়া টাকার উপর ১০ শতাংশ হারে জরিমানা প্রদান করতে হবে। আর কেউ যদি একাধারে ৬মাস কিস্তির টাকা প্রদান করতে ব্যর্থ হন তাহলে তিনি তার ফ্ল্যাটটি বিক্রয় করে দিতে বাধ্য থাকবেন। এক্ষেত্রে জমির দাম এবং সেই সময় পর্যন্ত পরিশোধিত অর্থই ফ্ল্যাটের দাম বলে বিবেচিত হবে।
০৮. কোন ব্যক্তি যদি ৬মাস কিস্তি পরিশোধ না করেন আবার ফ্ল্যাটটি বিক্রয় করতেও অস্বীকৃতি জানান তাহলে তার ব্যাপারে তার ফ্ল্যাট পজিশন পরিবর্তনসহ যে কোন শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার এস.আই. কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ কিংবা সামাজিক বিচারের মুখোমুখি করতে পারবেন।
উম্মাহ গ্লোবাল প্রোপার্টি লিমিটেড-কে ভবন নির্মাণের দায়িত্ব প্রদান সংক্রান্ত:
০৯. সবাইকে সংগঠিত করে এবং অর্থনৈতিক বিষয়গুলো সবার সাথে সুষ্ঠুভাবে সমন্নয় করে সুষ্ঠুভাবে বিল্ডিং এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য এস.আই. গ্রীন-কে ভবন নির্মাণের দায়িত্ব দেয়া হবে।
১০. প্রতি ফ্ল্যাটের মালিক কনস্ট্রাকশন কাজ পরিচালনা, অর্থনৈতিক সমন্নয় ও সুপারভিশন বাবদ এস.আই. গ্রীন-কে নির্মাণ ব্যয়ের ১০% (শতকরা দশ ভাগ) টাকা সার্ভিস চার্জ হিসাবে প্রদান করবেন। যা প্রতি মাসে প্রদত্ত কিস্তির টাকা থেকে গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি ছাদ ঢালাই কিংবা যতটুকু কাজ শেষ হওয়ার পর অডিট করা হবে, সেই পর্যন্ত হিসাব করে প্রকল্পে যা খরচ হয়েছে তার ১০% সার্ভিস চার্জ হিসেবে কোম্পানী বিল করবে।
১১. কোম্পানীকে ফ্ল্যাট মালিকগন যথাসময়ে তাদের কিস্তির টাকা প্রদান করবে। উক্ত টাকা কোথায় খরচ হয়েছে তার হিসাব প্রতি ছাদ ঢালাই এর পর অথবা নির্দিষ্ট কিছু কাজ শেষে অডিট কমিটি অডিট করবে এবং অডিট রিপোর্টসহ বিস্তারিত হিসাব ফ্ল্যাট মালিকদের সাধারণ বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি পেশ করবেন।
১২. ভবন নির্মাণ সংশ্লিষ্ট সকল কাজের জন্য কোম্পানী থেকে ১জন দায়িত্বশীল ব্যক্তি সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও একাউন্টস ও অফিস মেইনটেনেন্স এর যাবতীয় খরচ ও বেতন-ভাতা বা সম্মানি কোম্পানী পরিশোধ করবে। আর নির্মাণাধীন ভবন সংক্রান্ত যাবতীয় খরচ যেমন ইঞ্জিনিয়ার, সিকিউরিটি গার্ডের বেতন, বিদ্যুৎ-পানির বিল ও নির্মাণাধীন ভবনের কনস্ট্রাকশনসহ যাবতীয় খরচ ফ্যাট মালিকদের সাধারণ তহবিল থেকে পরিশোধ করা হবে।
মালামাল ক্রয়/ ক্রয় কমিটি সংক্রান্ত:
১৩. মালামাল ক্রয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ফ্ল্যাট মালিকদের মধ্য হতে স্বেচ্ছা শ্রম ও সময় দিতে আগ্রহী ব্যক্তি ও এস,আই, গ্রীন এর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি ক্রয় কমিটি গঠন করা হবে। প্রয়োজনের আলোকে নিয়মিত এই কমিটি বৈঠকে মিলিত হবেন এবং বাজার দর যাচাই করে মালামাল কেনার ব্যাপারে কোম্পানীর প্রতিনিধিকে দিকনির্দেশনা দেবেন। উক্ত কমিটিতে আলোচনা ও অধিকাংশের মতামত সাপেক্ষে কোম্পানীর প্রতিনিধি মালামাল ক্রয়, সরবরাহকারী নিয়োগ, লেবার নিয়োগ দিবেন।
অডিট কমিটি সংক্রান্ত:
১৪. নির্মাণ সামগ্রী ক্রয় এবং আনুসাঙ্গিক অন্যান্য সকল প্রকার খরচের ভাউচারসমূহ প্রতি ছাদ ঢালাই এর পর নিরীক্ষা করার জন্য মালিক পক্ষ থেকে স্বেচ্ছা শ্রম ও সময় দিতে আগ্রহী ৩ থেকে ৫ জনকে নিয়ে একটি অডিট কমিটি গঠন করা হবে। পাইলিং এর পর ১বার, বেইজমেন্ট এর পর একবার ও প্রতি ছাদ ঢালাইয়ের পর ১বার করে এবং ছাদ ঢালাই পরবর্তী সময়ে প্রতি ৪ মাস পর পর অডিট কমিটি অডিট কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। নিরীক্ষা কার্য সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল নথিপত্র ও বিল ভাউচার সমূহ কোম্পানীর হিসাব রক্ষক এর নিকট সংরক্ষিত থাকবে।
(বিঃ দ্রঃ- অডিটের জন্য কমিটির মিটিং-এ)
হিসাব, লেনদেন ও অর্থনৈতিক বিষয়ক নিয়মাবলী:
১৫. নির্মাণ সামগ্রী ক্রয় এবং আনুসাঙ্গিক অন্যান্য সকল প্রকার খরচ পরিচালনা করার জন্য কোম্পানী সম্পূর্ণ আলাদা একটি হিসাব সংরক্ষণ করবেন এবং যে কোন ফ্ল্যাট মালিক প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় হিসাব সংক্রান্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন।
১৬. অর্থ সংগ্রহ ও সংরক্ষনের জন্য কোম্পানী একটি নামে ব্যাংক হিসাব মেইনটেইন করবেন। সবাই এই এ্যকাউন্টে নিয়মিত টাকা জমা দেবেন অথবা অ্যাকাউন্ট-পে চেক প্রদান করে কোম্পানী থেকে রসিদ গ্রহণ করবেন।
কমন বা সবার সাথে সম্পৃক্ত নির্মাণ কাজ সংক্রান্ত:
১৭. ডিজাইন: আধুনিক ও দক্ষ আর্কিটেক ও অভিজ্ঞ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ভবনের নকশা করা হবে। ৭.০ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল। ভবন নির্মাণ করা হবে।
১৮. সিমেন্ট : শাহ, আকিজ, আনোয়ার এবং ক্রাউন সিমেন্ট অথবা সমমানের যে ব্রান্ড সহজলভ্য ও দামে কম পাওয়া যাবে তখন সেটা ব্যবহর করা হবে। অথবা ক্রয় কমিটিতে আলোচনা সাপেক্ষে অন্য ব্রান্ড নির্ধারণ করা হবে।
১৯. রড: আবুল খায়ের গ্রুপের একেএস অথবা আনোয়ার ইস্পাত, বিএসআরএম, কেএসআরএম ব্যবহার করা হবে। যখন যে ব্র্যান্ড সহজলভ্য ও দামে কম পাওয়া যাবে তখন সেটা ব্যবহার করা হবে অথবা ক্রয় কমিটিতে আলোচনা সাপেক্ষে অন্য ব্র্যান্ড নির্ধারণ করা হবে।
২০. বালু: ঢালাই এ ২.৫ সিলেট বালু, লোকাল বালু মিলিয়ে করা হবে। প্লাস্টার এ লোকাল বালু ব্যবহার করা হবে।
২১. পাথর: পাইল ক্যাপ, ছাদ, ভিম ও কলামে দেশীয় অথবা বিদেশ হতে আমদানি করা সাদা অথবা কালো ভোল্ডার ভাঙ্গা পাথর ব্যবহার করা হবে। একান্ত বাধ্য না হলে রেডি মিক্স এর ব্যবহার করা হবে না।
২২. খোয়া: ছাদ ঢালাইয়ের জন্য পিকেট বা ইটের খোয়া ব্যবহার করা হবে।
২৩. ভবনের ছাদে অনার্স এসোসিয়েশনের জন্য একটি অফিস কক্ষ ও কমিউনিটি হল করা হবে এবং গ্রাউন্ড ফ্লোরে অথবা ছাদে নামাজের জায়গা তৈরী করা হবে।
২৪. ভবনের নিরাপত্তার জন্য গ্রাউন্ড ফ্লোর ও ভবনের বাইরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং প্রত্যেক ফ্ল্যাটে ইন্টারকম এর ব্যবস্থা করা হবে।
২৫. লিফট: আমদানিকৃত ও উন্নতমানের ইনট্যাক্ট লিফট ব্যবহার করা হবে। দেশীয় কিংবা দেশে এসেম্বলীকৃত বা ক্লোন লিফট ব্যবহার করা হবে না।
২৬. ক্রয় কমিটিতে আলোচনা সাপেক্ষে ব্রান্ড নির্ধারণ করা হবে।
২৭. জেনারেটর: আমদানিকৃত উন্নত মানের জেনারেটর ব্যবহার করা হবে। ক্রয় কমিটিতে আলোচনা সাপেক্ষে ব্রান্ড নির্ধারণ করা হবে।
২৮. সাবস্টেশন: অভিজ্ঞ ও পারদর্শী কোম্পানীকে সাবস্টেশনের কাজ দেয়া হবে। ক্রয় কমিটিতে আলোচনা সাপেক্ষে কোম্পানী নির্ধারণ করা হবে।
২৯. সিড়ির রেলিং: সম্পূর্ণ এসএস রেলিং ব্যবহার করা হবে।
৩০. পার্কিং টাইলস: পার্কিং এ উন্নতমানের পেভমেন্ট টাইলস ব্যবহার করা হবে।
৩১. মেইন গেইট: আর্কিটেক্ট এর দেয়া ডিজাইন অনুযায়ী মজবুত মেইনগেট স্থাপন করা হবে।
৩২. ছাদ: জলছাদ স্থাপন করা হবে। এছাড়াও সম্পূর্ণ ছাদে পেভমেন্ট টাইলস লাগানো হবে। আর্কিটেক্ট এর দেয়া নকশা অনুযায়ী ছাদের চারপাশে ও বিভিন্ন স্থানে গাছ লাগানোর মাধ্যমে সুদৃশ্য সবুজায়ন করা হবে এবং বসার ব্যবস্থা করা হবে। গ্রাহকগণ চাইলে ও আলাদাভাবে সবাই খরচ দিতে রাজি থাকলে ছাদে সুইমিংপুলও স্থাপন করা যেতে পারে
ফ্ল্যাটের ভিতরের কাজ সংক্রান্ত:
৩৩. ফ্ল্যাট মালিকরা চাইলে ভেতরের ডিজাইন নিজেদের মত পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে ভবনের বাহিরের ডিজাইন ও বাথরুমের অবস্থান পরিবর্তন হয় এমন কিছু করতে পারবেন না। মেইন দরজার ডিজাইন পরিবর্তন করতে পারবেন না।
৩৪. ফ্ল্যাট মালিকরা নিজেদের ফ্ল্যাটের ভিতরের কাজ যেমন ফ্লোর টাইলস, ওয়াল টাইলস, রং, দরজা, ফিটিংস, ইলেকট্রিক্যাল ম্যাটারিয়ালস, বাথরুম ও রান্নাঘরের যাবতিয় ফিটিংস ও মালামাল নিজে কিনে দেবেন এবং নির্ধারিত লেবার খরচ পরিশোধ করবেন। সে সকল দ্রব্যের দাম ও ফিটিং খচর ফ্ল্যাট মালিকগণ নিজে পরিশোধ করবেন তার তালিকা নিম্নরূপ:
বিবরণ
ফ্লোর টাইলস ও ওয়াল টাইলস
দরজা ও চৌকাঠ (মেইন দরজার একটি ডিজাইন নির্ধারণ করা হইবে, এবং উক্ত ডিজাইনেই নিজের দরজা বানিয়ে নেবেন। ভেতরের দরজার ডিজাইন নিজের পছন্দমত দেবেন।)
বারান্দা ও জানালার গ্রীল ও থাই গ্লাস। (গ্রীলের একটি ডিজাইন নির্ধারণ করা হবে এবং থাই ও গ্লাসের একটি রং নির্ধারণ করা হবে। উক্ত গ্রীলের ডিজাইন এবং থাই-গ্লাস নির্ধারিত রং অনুযায়ী প্রত্যেকে গ্রীল ও থাই-গ্লাস বানিয়ে নেবেন। যে যার পছন্দ মত কোয়ালিটি, থিকনেস ও ব্রান্ড নির্ধারণ করবেন, কিন্তু ডিজাইন ও রং পরিবর্তন করতে পারবেন না।)
ফ্ল্যাটের ভেতরের ইলেক্ট্রিক কেবল ও সুইচ সকেট সহ অন্যান্য ইলেকট্রিক মালামাল (কেবল এর ক্ষেত্রে বিআরবি, বিবিএস অথবা পারটেক্স অথবা সমমানের ব্র্যান্ড ব্যবহার করা হবে। কাজের সময় সাধারণ সভায় কেবলের ব্রান্ড নির্ধারণ করা হবে। প্রত্যেকে উক্ত সিদ্ধান্তের আলোকে কেবল নিজে কিনবেন। তবে নির্ধারিত ব্রান্ডের বাইরে খারাপ কোয়ালিটির কেবল কিনতে পারবেন না।)
ফ্ল্যাটের ভেতরের ওয়াল, গ্রীল ও দরজার রং।
বাথরুম ও কিচেন ভেতরের সব পাইপ ও ফিটিংস।
সাধারণ সভা ও অনার্স এ্যাসোসিয়েশন:
৩৫. ভবন এর নির্মাণকালীন পুরো সময় কোম্পানীর প্রতিনিধি সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং ফ্ল্যাট মালিকগণ অথবা তাদের প্রতিনিধিগণ এই সভার সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। এতে মিটিং এলাউন্স কমপক্ষে ১০০০/- করে পাবেন।
৩৬. সকল পক্ষ বা শেয়ার/ফ্ল্যাট পজিশন মালিক প্রতি ছাদ ঢালাই এর পর অথবা প্রতি ৪
মাসে ১ বার বৈঠকে মিলিত হবেন। যাদের পক্ষে সম্ভব তারা বৈঠকে অংশ নেবেন অথবা নিজের কোন নিকটাত্মিয় কিংবা বৈঠকে উপস্থিত কাউকে নিজের প্রতিনিধি নিয়োগ করবেন। যে কোন ধরনের পরামর্শ 'পরামর্শ খাতায়' লিখিত আকারে জানাতে হবে। এতে যদি কাজ না হয় তাহলে সাধারণ সভায় আলোচ্যসূচীতে আলোচনা ও পর্যালোচনা করতে হবে। বৈঠকের বাহিরে একে অপরের বিরুদ্ধে কোন রকম সমালোচনা করা যাবে না। অত্র চুক্তি সম্পাদনের পরে অত্র চুক্তিপত্র দলিলের কোন শর্ত কোন পক্ষ ভঙ্গ করলে বা সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত না মানলে বা সাধারণ সভার সিদ্ধান্তের বাইরে কোন কাজ করলে বা কোন বিশৃংখলা সৃষ্টি করলে সাধারণ সভায় ফ্ল্যাট মালিকগণ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
৩৭.অত্র প্রকল্প ভবনের নির্মাণ কাজ সমাপ্তির পর ফ্ল্যাট মালিকগণের নিজ নিজ ও এজমালি অধিকার, দায়িত্ব-কর্তব্য পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য কার্যাবলী সুষ্ঠু ও সুচারুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে প্রকল্প ভবনের সকল ফ্ল্যাট মালিকগণের সমন্বয়ে একটি কো-অপারেটিভ সোসাইটি তৈরী হবে। (এই সোসাইটি অবশ্যই ভবন নির্মাণ শেষে সকল ফ্ল্যাট হস্তান্তরের পর গঠন করা হবে, নির্মাণ চলাকালীণ বা আগে গঠন করা হবে না।) যা ১৯৪০ ইং সনের কো-অপারেটিভ সোসাইটি আইন দ্বারা পরিচালিত হবে এবং উক্ত সোসাইটি ফ্ল্যাট মালিকগণের নিকট হতে প্রকল্প ভবনে ফ্ল্যাট মালিকগণের স্ব-স্ব হিস্যার মিউনিসিপ্যাল ট্যাক্স, খাজনা, নিরাপত্তা ব্যয়, পয়ঃ নিষ্কাষণ খরচ ইত্যাদি যাবতীয় ব্যয়ের অর্থ সংগ্রহসহ প্রকল্প ভবনের সকল ম্যানেজমেন্ট ও মেইনটেইন এর দ্বায়িত্বে থাকবেন ও সোসাইটি পরিচালনায় যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করবেন। উপরোক্ত বিষয় সোসাইটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ফ্ল্যাট বরাদ্দ প্রাপকগণ নিজ নিজ উদ্যোগে অপারপর ফ্ল্যাট মালিকগণের সহযোগিতায় তাদের স্ব-স্ব করণীয় সমূহ পালন করবেন।
যোগাযোগ
মোঃ জাহিদুল ইসলাম :- +৮৮০১৯০৩-৬৪১৪৫২
মোঃ মেহেদী হাসান :- +৮৮০১৭৬৩-৪৭০০৬০
মোঃ সায়েম হোসেন :- +৮৮০১৯১০৮৮৭৮৩৮
অফিস
বালাদিল আমিন আবাসন (ট্রাস্ট), মিল্লাত মাদ্রাসা রোড, উত্তর আউচপাড়া, টঙ্গী পশ্চিম, গাজীপুর।
#জমিবিক্রি #ফ্ল্যাট