08/23/2024
হাই কোর্ট আর সুপ্রিম কোর্ট সন্দীপ ঘোষের এই বিশাল প্রভাব, ক্ষমতা আর সরকারের ওপর আধিপত্যের সূত্র নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে প্রশ্ন করেই যাচ্ছেন! আর মমতা সরকার ২১ জন আইনজীবি দাঁড় করিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সুপ্রিম মেধা আর অভিজ্ঞ বিচারকদের ভুল বুঝিয়ে বা “চু-য়া” বানিয়ে “তারিখ পে তারিখ” এর খেলা জমিয়ে দিয়েছে। গতকালে মমতার স্ট্রাটেজি ছিল ভুল বা অসত্য তথ্য দিয়ে শুনানি কে আর এক দিন পিছিয়ে দেওয়া, আর নির্ধিদ্বায় সুরিম কোর্ট তা খেয়ে নিয়ে কোনও responsible পুলিশ অফিসার কে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ ১৪ দিন পর আবার শুনানি পিছিয়ে দিলো। এক এক দিন এক এক যুগ হয়ে বাংলার “we want justice” এর দাবিদার জনগনকে যে অসহনীয় অস্থিরতায় নিমজ্জিত করছে, তার প্রতি কী সুপ্রিম কোর্ট একটু সহানুভূতি দেখিয়ে, পাহাড় প্রমাণ circumstantial evidence গুলোর গুরুত্ব দেবে না? ৫ সেপ্টেম্বর মমতা সরকার আর সুপ্রিম কোর্ট কী খেলা খেলবে তা আপাতত: কল্পনাতেই রাখা রইল, কিন্তু এটা বোধহয় সুপ্রিম কোর্টের জানা উচিত যে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক নেতাদের মতো সুপ্রিম কোর্ট ও কিন্তু জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। তাই থাক না তোলা “তারিখ পে তারিখের” খেলা। কে জানে কখন কয়েক কোটি জনগণ সুপ্রিম কোর্টের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে!