আল্লামা মুফতী মুনসুর আহমেদ কাসেমী দাঃবাঃ পেজ

  • Home
  • India
  • Barasat
  • আল্লামা মুফতী মুনসুর আহমেদ কাসেমী দাঃবাঃ পেজ

আল্লামা মুফতী মুনসুর আহমেদ কাসেমী দাঃবাঃ পেজ আল্লামা মুফতী মুনসুর আহমেদ কাসেমী দাঃবাঃ পেজ

11/07/2026
আমীরুল মুমিনীন ফিল হাদীস' হজরত শ্বায়েখ মুহাম্মদ ইউনুস জৌনপুরী (রহ.) ছিলেন উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত দেওবন্দী ইসলামি পণ্ডি...
21/06/2026

আমীরুল মুমিনীন ফিল হাদীস' হজরত শ্বায়েখ মুহাম্মদ ইউনুস জৌনপুরী (রহ.) ছিলেন উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত দেওবন্দী ইসলামি পণ্ডিত এবং বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান মুহাদ্দিস (হাদিস বিশেষজ্ঞ)। মুহাদ্দিসে আসর' (যুগের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস)।

আল্লাহ তাআলা হযরত শায়েখ ইউনুস জৌনপুরী (রহ.)-এর দ্বীনের সকল খিদমত কবুল করুন।উম্মাহর জন্য তাঁর রেখে যাওয়া অমূল্য অবদান ও ইলমী খিদমতের উসিলায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। (আমীন)

তিনি শুধু একজন আলেম নন, তিনি নবী ﷺ এর রক্তের আমানত।  আওলাদে রাসূল ﷺ, শাইখুল হাদীস আল্লামা আরশাদ মাদানী দা.বা.যখন উম্মাহ ...
21/06/2026

তিনি শুধু একজন আলেম নন, তিনি নবী ﷺ এর রক্তের আমানত।
আওলাদে রাসূল ﷺ, শাইখুল হাদীস আল্লামা আরশাদ মাদানী দা.বা.

যখন উম্মাহ দিশেহারা, তখন তার কণ্ঠ হয় মুক্তির ডাক।
যখন বাতিল মাথাচাড়া দেয়, তখন তার কলম হয় তলোয়ার।

আল্লাহ তাআলা হযরতকে সুস্থতার সাথে নেক হায়াত দান করুন।
আমরা তাঁর ইলম ও আদর্শ থেকে উপকৃত হওয়ার তাওফিক চাই।

কিছু মানুষ কথা বলে না, শুধু দোয়া হয়ে যায়।"  হযরত মাওলানা আসআদ মাহমুদ মাদানী হাফি. উনার দিকে তাকালেই বোঝা যায় -  আলেম কাক...
21/06/2026

কিছু মানুষ কথা বলে না, শুধু দোয়া হয়ে যায়।"
হযরত মাওলানা আসআদ মাহমুদ মাদানী হাফি.

উনার দিকে তাকালেই বোঝা যায় -
আলেম কাকে বলে, রাহবার কাকে বলে।

আল্লাহ হযরতকে সুস্থ রাখুন, নেক হায়াত দিন।

দারুল উলুম দেওবন্দের প্রখ্যাত মুহতামিম হযরত হাকীমুল ইসলাম কারী মুহাম্মদ তৈয়্যব (রহ.)–এর সাথে এক বাঙালি ছাত্রের একটি অত্...
21/06/2026

দারুল উলুম দেওবন্দের প্রখ্যাত মুহতামিম হযরত হাকীমুল ইসলাম কারী মুহাম্মদ তৈয়্যব (রহ.)–এর সাথে এক বাঙালি ছাত্রের একটি অত্যন্ত শিক্ষণীয় ও হৃদয়গ্রাহী ঘটনা বর্ণিত আছে।

দারুল উলুম দেওবন্দে সে সময়ে সকালের নাশতার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা ছিল না। যে ছাত্ররা সক্ষম ছিল, তারা নিজ উদ্যোগে নাশতা করত; আর যারা দরিদ্র ছিল, তারা শুধু দুপুর ও রাতের খাবারেই দিন কাটাত। এমনই এক দরিদ্র কিন্তু মেধাবী বাঙালি ছাত্র, নিজের অসুবিধার কথা জানিয়ে মুহতামিম সাহেবের কাছে একটি আবেদনপত্র পেশ করল।

সে লিখল— সে আর্থিকভাবে দুর্বল, তাই সকালে নাশতা করতে পারে না। অথচ খালি পেটে দুপুর পর্যন্ত পড়াশোনা করা তার জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়ছে এবং এতে তার শিক্ষার ক্ষতি হতে পারে। তাই তার জন্য যদি নাশতার কোনো ব্যবস্থা করা হয়, তবে তা তার জন্য বড় অনুগ্রহ হবে।

আবেদনপত্রটি দেখে কারী তৈয়্যব (রহ.) তাকে ডেকে পাঠালেন। ছাত্রটি এসে সম্মানের সাথে দাঁড়াল। হযরত জিজ্ঞেস করলেন, “এই দরখাস্ত কি তোমার?” ছাত্রটি বলল, “জি হযরত।”

এরপর তিনি বললেন, “তোমার যোগ্যতার অবস্থা তো এই যে, তুমি ‘নাশতা’ শব্দটি ‘ت’ দিয়ে না লিখে ‘ط’ দিয়ে লিখেছ— ‘ناشطہ’। অথচ তুমি এত বড় সুবিধা চাও যে প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ভেঙে তোমার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে!”

এ কথা শুনে ছাত্রটি বিন্দুমাত্র সংকোচ না করে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে জবাব দিল—
“হযরত! আপনি কি ‘নাশতা’ ‘ت’ দিয়ে লেখেন?”

তারপর একটু থেমে বলল—
“আসল শব্দ তো ‘ناشطہ’ হওয়াই উচিত। কারণ এটি ‘نشاط’ (উদ্যম, প্রাণশক্তি) থেকে এসেছে। সকালের এই নাশতা মানুষের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি করে এবং সারাদিন তাকে সতেজ রাখে। যদি ‘ت’ দিয়ে লেখা প্রচলিত হয়ে থাকে, তবে সেটারই সংশোধন হওয়া উচিত।”

এই চমৎকার উপস্থিত বুদ্ধি ও আত্মবিশ্বাসপূর্ণ জবাব শুনে কারী তৈয়্যব (রহ.) মুচকি হাসলেন। এরপর তিনি তাকে বিদায় দিয়ে অফিসের মুনশিকে বললেন—
“যদিও দারুল উলুমে নাশতার কোনো নিয়ম নেই, কিন্তু এই ছাত্রের বুদ্ধিমত্তা ও মেধার কারণে আমার ব্যক্তিগত হিসাব থেকে তাকে প্রতি মাসে নাশতার সমপরিমাণ টাকা প্রদান করা হবে।”

এই ঘটনাটি আমাদের শেখায়— সত্যিকারের মেধা শুধু পড়াশোনায় নয়, উপস্থিত বুদ্ধি, আত্মবিশ্বাস ও যুক্তির মধ্যেও প্রকাশ পায়। #ক্বারী_তৈয়ব_সাহেব
#দারুল_উলুম_দেওবন্দ

 #হাজি_ইমদাদুল্লাহ_মুহাজিরে_মাক্কী রহ 'র সংক্ষিপ্ত জীবনী:---হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী (রহ.) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশ...
10/06/2026

#হাজি_ইমদাদুল্লাহ_মুহাজিরে_মাক্কী রহ 'র সংক্ষিপ্ত জীবনী:---

হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী (রহ.) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের একজন শীর্ষস্থানীয় আধ্যাত্মিক সুফি সাধক, প্রখ্যাত ইসলামি পণ্ডিত এবং ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের এক মহান বীরপুরুষ।
তিনি বিখ্যাত চিশতিয়া সাবিরিয়া তরিকার প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং তাকে দেওবন্দি ধারার আলেমদের "পীর ও মুরশিদ" (আধ্যাত্মিক শিক্ষক) হিসেবে গণ্য করা হয়।

হাজি সাহেবের সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরা হলো:

জন্ম ও বংশ পরিচয়জন্ম তারিখ: ৩১ ডিসেম্বর ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দ (১২৩১ হিজরি)।
জন্মস্থান: ব্রিটিশ ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর জেলার নানুতা গ্রামে।
বংশ: তিনি ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক (রা.)-এর বংশধর ছিলেন, তাই তার বংশকে ফারুকী বলা হয়।
প্রদত্ত নাম: তার পিতা মুহাম্মদ আমিন প্রথমে তার নাম রেখেছিলেন 'ইমদাদ হুসাইন', কিন্তু পরবর্তীতে বিখ্যাত আলেম শাহ মুহাম্মদ ইসহাক (রহ.) তার নাম পরিবর্তন করে ইমদাদুল্লাহ রাখেন।
শৈশব ও শিক্ষা জীবন মাতৃহীনতা: মাত্র ৭ বছর বয়সে তিনি তার মাকে হারান, যার ফলে তার প্রাথমিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা: তিনি অত্যন্ত প্রখর মেধার অধিকারী ছিলেন এবং নিজেই পবিত্র কুরআন হিফজ করেন। পরবর্তীতে তিনি ফারসি ও আরবি ভাষার প্রতি গভীর মনোযোগ দেন।
উচ্চ শিক্ষা: ১৬ বছর বয়সে তিনি বিখ্যাত আলেম মাওলানা মামলুক আলী নানুতুবী (রহ.)-এর সাথে দিল্লি গমন করেন। সেখানে তিনি তৎকালীন শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসদের কাছ থেকে তাফসির, হাদিস ও ফিকহ শাস্ত্রের উচ্চতর শিক্ষা লাভ করেন।

আধ্যাত্মিক সাধনা ও খিলাফতবায়আত গ্রহণ:
হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী (রহ.)-এর আত্মিক পরিবর্তনের পেছনে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রত্যক্ষ রূহানী ইঙ্গিত কাজ করেছিল:রাসুল (সা.)-এর স্বপ্ন ও আদেশ: যৌবনে তিনি স্বপ্নে দেখেন যে, তিনি স্বয়ং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র মজলিসে উপস্থিত আছেন। সেখানে রাসুল (সা.) তাকে একজন প্রবীণ বুযুর্গের হাতে বায়'আত (দীক্ষা) গ্রহণের নির্দেশ দেন।বায়'আত গ্রহণ: এই স্বপ্নের পর ১৮ বছর বয়সে তিনি বিখ্যাত সুফি সাধক নাসিরুদ্দিন নকশবন্দী (রহ.)-এর কাছে নকশবন্দিয়া তরীকায় প্রথম বায়'আত হন।
প্রধান মুরশিদ: পরবর্তীতে তিনি বিখ্যাত আধ্যাত্মিক সাধক মিয়াজি নূর মুহাম্মদ ঝানঝানভী (রহ.)-এর সান্নিধ্যে যান। দীর্ঘদিন কঠোর আধ্যাত্মিক সাধনা ও মুজাহাদার পর তিনি তাঁর কাছ থেকে চিশতিয়া তরিকার "খিলাফত" (খেতাব) লাভ করেন।

১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রাম (সিপাহী বিদ্রোহ)হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী (রহ.) কেবল খানকাহর পীর ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন একজন স্বাধীনতাকামী বীরপুরুষ।
আমিরুল মুমিনীন উপাধি: ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশ বিরোধী সিপাহী বিপ্লবের সময় ভারতীয় আলেম সমাজ তাকে তাদের প্রধান নেতা বা "আমিরুল মুমিনীন" হিসেবে ঘোষণা করে।
থানা ভবন ও শামলীর যুদ্ধ: তার সুনিপুণ নেতৃত্বে আলেম ও সাধারণ মুসলিম সেনারা উত্তর প্রদেশের থানা ভবন ও শামলী নামক স্থানে ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং সাময়িক বিজয় লাভ করেন।
হুলিয়া জারি: পরবর্তীতে ব্রিটিশরা পুরো ভারতের নিয়ন্ত্রণ নিলে এই বিপ্লব ব্যর্থ হয়। ব্রিটিশ সরকার হাজী সাহেবকে ধরার জন্য হুলিয়া বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে এবং পুরস্কার ঘোষণা করে।
মক্কায় হিজরত (মুহাজিরে মক্কী)ব্রিটিশদের কঠোর নজরদারি ও গ্রেফতারি এড়াতে
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিশেষ রূহানী ইঙ্গিত ও আদেশে
তিনি ১৮৫৯ সালে (১২৭৬ হিজরি) ভারতবর্ষ ত্যাগ করে ইসলামের পবিত্র নগরী মক্কায় হিজরত করেন। মক্কায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার কারণে তার নামের শেষে "মুহাজিরে মক্কী" (মক্কায় হিজরতকারী) উপাধি যুক্ত হয়। মক্কার 'হারাত আল-বাব' এলাকায় তিনি বাকি জীবন অতিবাহিত করেন।
বিখ্যাত শিষ্য ও দেওবন্দ আন্দোলনের অনুপ্রেরণাতার আধ্যাত্মিক আলোয় উপমহাদেশের অসংখ্য আলেম আলোকিত হয়েছিলেন।
ভারতীয় উপমহাদেশের ইসলামি শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র "দারুল উলুম দেওবন্দ" মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতাগণ সকলেই তার প্রত্যক্ষ শিষ্য ও মুরিদ ছিলেন। তার প্রধান প্রধান খলিফা ও শিষ্যদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
মাওলানা কাসেম নানুতুবী (রহ.) (দারুল উলুম দেওবন্দের প্রতিষ্ঠাতা)
মাওলানা রশিদ আহমদ গাঙ্গোহী (রহ.)
মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.) (বিখ্যাত তাফসিরবিদ ও লেখক)পীর মেহের আলী শাহ (রহ.) (পাঞ্জাবের বিখ্যাত সুফি সাধক)
শায়খুল হিন্দ মাওলানা মাহমুদ হাসান (রহ.)
সাহিত্যকর্ম ও গ্রন্থাবলীতিনি তাসাউফ, আধ্যাত্মিকতা ও ইসলামি শরীয়তের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ফারসি ও উর্দু ভাষায় প্রায় ১০টিরও বেশি মূল্যবান বই রচনা করেন।
তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
যিয়াউল কুলূব (Zia-ul-Qulub)ফয়সালা হাফ মাসআলা (Faisala Haft Masala)
কুল্লিয়াত-ই-ইমদাদিয়া (Kulliyat-e-Imdadia)
জিহাদে আকবর (Jihad-e-Akbar)
মাকতুবাতে ইমদাদিয়া (Maktobat-e-Imdadia)

এই মহান আধ্যাত্মিক সাধক ও বীরপুরুষ ১৮ অক্টোবর ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩ জুমাদাল উখরা, ১৩১৫ হিজরি) সোমবার মক্কা মুকাররমায় ৮৪ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তাকে মক্কার বিখ্যাত কবরস্থান জান্নাতুল মুয়াল্লায় প্রখ্যাত আলেম রহমতুল্লাহ কাইরানভী (রহ.)-এর কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।

হে আল্লাহ! আপনার এই মকবুল বান্দা হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী (রহ.)-এর কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন।
ইয়া আল্লাহ! দ্বীনের খেদমত, তাসাউফের সংস্কার এবং ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর যে ত্যাগ ও অবদান ছিল, তা কবুল করুন।
হে রহমানুর রাহিম! তিনি উম্মাহর পথপ্রদর্শনের জন্য যে মহান আলেমদের (যেমন: মাওলানা কাসেম নানুতুবী, রশিদ আহমদ গাঙ্গোহী, শ্বায়খুল হিন্দ মাহমুদুল হাসান দেওবন্দী, আশরাফ আলী থানভী রহ.) গড়ে তুলেছেন, তার সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব কেয়ামত পর্যন্ত তাঁর আমলনামায় পৌঁছে দিন।

উলামায়ে দেওবন্দের মহান মনিষীদের জিবন কর্ম প্রতিদিন পেতে Sahid Ahmed এই পেইজটি ফলো করে রাখবেন।
(শেয়ার করে সবার কাছে পৌঁছে দিবেন)
✍️মোহাম্মদ সহিদ আহমেদ।

দুনিয়া তো মুমিনের জন্য কারাগার আর কাফেরের জন্য জান্নাত।বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সম্মানিত খতিব ফক্বিহ মুফতি আব্দুল মা...
09/06/2026

দুনিয়া তো মুমিনের জন্য কারাগার আর কাফেরের জন্য জান্নাত।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সম্মানিত খতিব ফক্বিহ মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব হাফি এর সাদামাটা এই ঘরটিই প্রমাণ করে দুনিয়ার মোহের চেয়ে আখেরাতের প্রতি তাঁদের ভালোবাসা কত বেশি। আল্লাহ আমাদের এই মুখলিস আলেমদের উত্তম প্রতিদান দিন। আমীন।

Address

এয়ারপোর্টে বাঁকড়া বিরাটী
Barasat
700051

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল্লামা মুফতী মুনসুর আহমেদ কাসেমী দাঃবাঃ পেজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category