Sohai Halo Kalo

Sohai Halo Kalo Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sohai Halo Kalo, Real Estate, Halo Kalo Roy Para, Sohai, Khanpur Road, Deganga.

Halo Kalo is private property, owned and operated by Minakshi Das, under the jurisdiction of the Calcutta High Court Division Bench (1999), as upheld by the Supreme Court, and the Hon’ble Barasat Senior Judge’s Court.

⚖️ PUBLIC NOTICE REGARDING “HALKALO” PROPERTY⚖️ “হালকালো” সম্পত্তি সম্পর্কে জনসাধারণের অবগতির জন্যENGLISHThis notice is ...
14/07/2026

⚖️ PUBLIC NOTICE REGARDING “HALKALO” PROPERTY
⚖️ “হালকালো” সম্পত্তি সম্পর্কে জনসাধারণের অবগতির জন্য

ENGLISH

This notice is being issued in the interest of public awareness and to prevent the circulation of incorrect or misleading information regarding the property locally known as “Halkalo.”

Based on the court orders and records presently available to our family, there is no valid and final document before us establishing that the Halkalo property has been vested in the State Government.

The Division Bench of the Hon’ble High Court at Calcutta, in W.P.L.R.T. No. 275 of 2000, by its order dated 18 May 2000, directed that status quo regarding the petitioners’ possession of the land in question be maintained until disposal of the relevant matter by the Hon’ble Supreme Court of India.

I am the son of Late Manoranjan Das, who was one of the principal applicants in the proceedings connected with this matter. I am publishing this clarification in good faith and for public awareness.

Members of the public are requested:

• Not to circulate rumours or make unofficial claims that Halkalo is vested property without producing an authentic government notification, final court order or other legally valid record.

• Not to misrepresent, suppress or distort the contents of the court orders.

• To verify the facts from official land records and competent legal authorities before making any public statement.

Any knowingly false, misleading or defamatory statement concerning the property or the parties will be documented and may be addressed through appropriate legal remedies. Only a competent court or statutory authority can conclusively determine the property’s legal status.

Anyone possessing an authentic and subsequent government notification or court order is welcome to provide a copy for proper verification.

The relevant court-order image is attached for public information.

— Son of Late Manoranjan Das

বাংলা

স্থানীয়ভাবে “হালকালো” নামে পরিচিত সম্পত্তি সম্পর্কে ভুল, বিভ্রান্তিকর অথবা ভিত্তিহীন তথ্যের প্রচার বন্ধ করার উদ্দেশ্যে জনস্বার্থে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হচ্ছে।

বর্তমানে আমাদের পরিবারের কাছে থাকা আদালতের আদেশ এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অনুযায়ী, হালকালো সম্পত্তি রাজ্য সরকারের কাছে ন্যস্ত বা “ভেস্টেড” হয়েছে—এমন কোনো বৈধ ও চূড়ান্ত নথি আমাদের সামনে নেই।

মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ W.P.L.R.T. No. 275 of 2000 মামলায় ১৮ মে ২০০০ তারিখের আদেশে সংশ্লিষ্ট জমির উপর আবেদনকারীদের দখল সম্পর্কে স্থিতাবস্থা বা “status quo” বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যতদিন না সংশ্লিষ্ট বিষয়টি মাননীয় সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হয়।

আমি প্রয়াত মনোরঞ্জন দাসের পুত্র। তিনি এই বিষয়-সংক্রান্ত মামলার অন্যতম প্রধান আবেদনকারী ছিলেন। সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য জানানোর উদ্দেশ্যে এবং সম্পূর্ণ সদিচ্ছায় এই বক্তব্য প্রকাশ করছি।

সকলের কাছে অনুরোধ:

• কোনো সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তি, চূড়ান্ত আদালতের আদেশ অথবা আইনত গ্রহণযোগ্য নথি ছাড়া হালকালোকে “ভেস্টেড সম্পত্তি” বলে গুজব বা অনানুষ্ঠানিক দাবি প্রচার করবেন না।

• আদালতের আদেশের বক্তব্য বিকৃত, গোপন বা ভুলভাবে উপস্থাপন করবেন না।

• কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য করার আগে সরকারি ভূমি-রেকর্ড এবং উপযুক্ত আইনগত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য যাচাই করুন।

সম্পত্তি অথবা সংশ্লিষ্ট পক্ষ সম্পর্কে জেনেশুনে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হলে তার প্রমাণ সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইনসম্মত প্রতিকার চাওয়া হতে পারে। সম্পত্তির চূড়ান্ত আইনগত অবস্থান নির্ধারণের ক্ষমতা কেবল উপযুক্ত আদালত বা আইনানুগ কর্তৃপক্ষের রয়েছে।

কারও কাছে পরবর্তী সময়ের কোনো প্রামাণিক সরকারি বিজ্ঞপ্তি বা আদালতের আদেশ থাকলে, যথাযথ যাচাইয়ের জন্য তার অনুলিপি দেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।

জনসাধারণের অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতের আদেশের ছবি এই পোস্টের সঙ্গে সংযুক্ত করা হলো।

— প্রয়াত মনোরঞ্জন দাসের পুত্র

🚩 ইতিহাসের অকাট্য দলিল: দিলীপ কুমার মাইতির ‘ইতিহাসে দেগঙ্গা’ বইয়ের পাতায় আমাদের সোহাইয়ের ‘হলো-কালো’! 🏛️📖আমরা যারা মনে কর...
08/06/2026

🚩 ইতিহাসের অকাট্য দলিল: দিলীপ কুমার মাইতির ‘ইতিহাসে দেগঙ্গা’ বইয়ের পাতায় আমাদের সোহাইয়ের ‘হলো-কালো’! 🏛️📖

আমরা যারা মনে করতাম রাজা চন্দ্রকেতু আর ‘হলো-কালো’র ইতিহাসটা কেবলই মুখের কথা বা রূপকথা— এই পোস্টটি তাদের জন্য এক বিরাট চোখ খুলে দেওয়া প্রমাণ।

বিশিষ্ট আঞ্চলিক ইতিহাসবিদ ও গবেষক দিলীপ কুমার মাইতি মহোদয়ের বিখ্যাত ‘ইতিহাসে দেগঙ্গা’ বইটিতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছবি ও তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই বইয়ের একটি নির্দিষ্ট পাতায় (চিত্র ১৬) যে প্রাচীন দেববিগ্রহের পায়ের অংশের ছবি রয়েছে, তার ক্যাপশনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে— এই মহামূল্যবান পদটি উদ্ধার করা হয়েছিল সোহাইয়ের ঐতিহাসিক জলাশয় থেকে!

ভুল ভাঙল ইতিহাসের পাতায়:
অনেকেই হয়তো সাধারণ ধারণায় বা বইয়ের প্রাথমিক তথ্যে এটিকে মানসিংহ দিঘির অংশ বলে মনে করেন। কিন্তু নিবিড় ঐতিহাসিক সত্য ও স্থানীয় ভৌগোলিক অবস্থান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি আসলে মানসিংহ দিঘি নয়; এটি মানসিংহ দিঘির সীমানা ছাড়িয়ে আরও সুপ্রাচীন— স্বয়ং রাজা চন্দ্রকেতুর রাজকীয় ‘বৈঠকখানা’ বা ‘হলো-কালো’ (হালা-কালা) চত্বরের ইতিহাস!

আজ থেকে প্রায় ৬০০-৭০০ বছর আগে (৬০০-৭০০ বছর পূর্বেকার প্রাচীন আমলে) এই হলো-কালো বৈঠকখানা চত্বরটি ছিল রাজা চন্দ্রকেতুর প্রশাসনিক ও ধর্মীয় কেন্দ্র। বইয়ের পাতায় খোদিত এই দেব-বিগ্রহের চরণ যুগলের আবিষ্কারই প্রমাণ করে যে, এই স্থানটি কেবল একটি সাধারণ পুকুর নয়, বরং রাজা চন্দ্রকেতুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক ঐতিহাসিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল।

ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে আসল সত্য এভাবেই এক সময় সাধারণ মানুষের সামনে চলে আসে। দেগঙ্গা ও সোহাই অঞ্চলের এই গৌরবময় ইতিহাসকে জানতে ও জানাতে পোস্টটি অবশ্যই শেয়ার করুন।

06/06/2026

🚩 মিথ বনাম বাস্তব: সোহাই 'হলো-কালো' পুকুর খননে উঠে এলো ৮০০ বছরের প্রাচীন শ্বেতপুর ও গুপ্ত জলমন্দিরের আসল ইতিহাস! 🏛️💧

আমরা যারা উত্তর ২৪ পরগনার বেড়াচাঁপা বা সোহাই (Sohai) অঞ্চলের মানুষ, তারা ছোটবেলা থেকেই রাজা চন্দ্রকেতু আর 'হলো-কালো' (সাদা ও কালো) পায়রার সেই ট্রাজিক লোকগাথা শুনে বড় হয়েছি। কিন্তু লোকগাথার আড়ালে লুকিয়ে থাকা আসল ইতিহাস কতটা গভীর, তা প্রমাণিত হয় যখন এই ঐতিহাসিক 'হলো-কালো' পুকুর সংস্কারের সময় মাটির নিচে প্রাচীন দেববিগ্রহ খুঁজে পাওয়া যায়!

পুকুরের তলা থেকে উদ্ধার হওয়া সেই প্রাচীন কষ্টিপাথরের শিবমূর্তি (Kashti Pathar Shiva Murti) এবং বিষ্ণুমূর্তির চরণ যুগল আমাদের এক নতুন ইতিহাসের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

আসুন জেনে নিই ইন্টারনেট এবং আঞ্চলিক গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী এর পেছনে আসল বাস্তবতা কী:

✨ ১. ৮০০ বছর আগের 'শ্বেতপুর' ও 'হালা-কালা':ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, আজ থেকে প্রায় ৮০০ বছর আগে (গুপ্ত ও পরবর্তী গুপ্ত যুগে) এই পুরো অঞ্চলটির নাম ছিল 'শ্বেতপুর' (Shwetpur)। এই শ্বেতপুরেই ছিল একটি সুবিশাল রাজকীয় পুষ্করিণী এবং 'গুপ্ত জলমন্দির' (Gupta Jalamandir)। এই জলমন্দির চত্বরটিকেই স্থানীয় ভাষায় 'হালা-কালা' (Hala Kala) বা হলো-কালো বলা হতো। 'হালা-কালা' বা 'হলো-কালো' শব্দটি মূলত এই প্রাচীন পুকুর বা মন্দির চত্বরের কৃষ্ণবর্ণ (কালো কষ্টিপাথর) এবং শ্বেতশুভ্র পাথরের প্রাচীন অলংকরণের স্মৃতি বহন করছে! পরবর্তীতে এই চত্বরটি রাজা চন্দ্রকেতুর রাজকীয় "বৈঠকখানা" হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

⚔️ ২. পীর গোরাচাঁদ-চন্দ্রকেতু যুদ্ধ এবং বীর 'হামা-দামা' (Hama & Dama):
চতুর্দশ শতকে যখন পীর গোরাচাঁদের বাহিনীর সাথে সনাতন ধর্মের রক্ষক রাজা চন্দ্রকেতুর ঐতিহাসিক যুদ্ধ শুরু হয়, তখন এই 'হালা-কালা' বা হলো-কালো এলাকাটিই হয়ে উঠেছিল অন্যতম প্রধান রণক্ষেত্র। ইতিহাসে রাজার দুই বিশ্বস্ত মহাবীর সেনাপতি (মতান্তরে রাজার ভাই বা মল্লবীর) হামা এবং দামা (Hama and Dama)-র স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়। লোকশ্রুতি অনুযায়ী, যখন পীর গোরাচাঁদের বাহিনীর কাছে দুর্গের পতন আসন্ন, তখন এই বীর হামা এবং দামা শত্রুর হাত থেকে বাঁচাতে রাজার প্রাসাদ থেকে প্রধান দেববিগ্রহ ও মূল্যবান মূর্তিগুলোকে উদ্ধার (Rescue) করে এই প্রাচীন জলমন্দিরের পুকুরের গর্ভে লুকিয়ে ফেলেছিলেন!

🔮 বাস্তবতার প্রমাণ:
পুকুর খননের সময় কষ্টিপাথরের শিবমূর্তি এবং বিষ্ণুমূর্তির ভগ্নাংশ উদ্ধার হওয়ার ঘটনাটি হুবহু মিলে যায় এই ঐতিহাসিক সত্যের সাথে। মধ্যযুগীয় যুদ্ধের গল্পের বহু আগে থেকেই এই 'হালা-কালা' চত্বরটি যে সনাতন ধর্মের (Sanatan Dharma) একটি অত্যন্ত জাগ্রত এবং সমৃদ্ধ ধর্মীয় ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল— তা আজ প্রমাণিত।

চন্দ্রকেতুগড় ও সোহাইয়ের মাটি কোনো সাধারণ মাটি নয়— এ এক জীবন্ত মহাকাব্য।

Source; Google & local Dilip

A moment cherished within nature's bounty.
23/05/2026

A moment cherished within nature's bounty.

12/02/2026

উত্তর ২৪ পরগনার স্থানীয় ইতিহাস ও কিংবদন্তি অনুযায়ী, চন্দ্রকেতু রাজার আমলে 'হালা-কালা' (বা হালো-কালো) জায়গাটির গুরুত্ব এবং সেখানে কারা গিয়েছিলেন, তার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

১. রাজা চন্দ্রকেতু বা তাঁর সেনাপতিরা কি এখানে এসেছিলেন?
সেনাপতিরা (হামা ও দামা): হ্যাঁ।
কিংবদন্তি অনুযায়ী, এই জায়গাটির সাথে মূলত রাজা চন্দ্রকেতুর দুই সেনাপতি হামা ও দামা-র (যাদের স্থানীয়রা অনেক সময় 'হালা ও কালা' নামেও ডাকে) স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তাঁরাই যুদ্ধের সময় রাজপ্রাসাদের বিগ্রহ বা দেবমূর্তিগুলিকে বাঁচাতে এই স্থানে নিয়ে এসেছিলেন।

রাজা চন্দ্রকেতু: না।
রাজা চন্দ্রকেতু সম্ভবত মূল দুর্গ বা গড়েই (বেড়াচাঁপা) ছিলেন। তিনি শেষ পর্যন্ত তাঁর প্রাসাদে বা 'পদ্মদহ' পুকুরের কাছেই ছিলেন বলে মনে করা হয়। 'হালা-কালা' নামক স্থানে তিনি সশরীরে আসেননি; তাঁর নির্দেশেই সেনাপতিরা বিগ্রহ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন।

২. ঐ যুগে 'হালা-কালা'র গুরুত্ব কী?
চন্দ্রকেতু রাজার আমলে (আনুমানিক চতুর্দশ শতাব্দী) এই স্থানটি ছিল "শেষ রক্ষার সীমানা"। এর গুরুত্ব নিচে আলোচনা করা হলো:

বিগ্রহ বিসর্জনের স্থান (দেবতার আত্মগোপন):
শত্রুর (পীর গোরাচাঁদ বা পরবর্তীতে কালাপাহাড়ের ভয়ে) হাত থেকে পবিত্র কষ্টিপাথরের বিষ্ণু ও শিবলিঙ্গ বাঁচাতে সেনাপতিরা এখানেই বিগ্রহগুলিকে জলে ডুবিয়ে দেন (জলসমাধি)। ফলে সাধারণ এই জায়গাটি একটি 'গুপ্ত জলমন্দির'-এ পরিণত হয়। স্থানীয় মানুষ বিশ্বাস করতেন যে, এই পুকুর বা শুকিয়ে যাওয়া নদীর (পদ্মা নদী/বিদ্যাধরী খাল) নিচে রাজার আরাধ্য দেবতারা ঘুমিয়ে আছেন।

নামকরণের তাৎপর্য (ক্লান্তি ও পাথর):

হালা (ক্লান্ত/অবসন্ন): স্থানীয় ভাষায় 'হালা' বা 'হালান' বলতে বোঝায় অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়া। কিংবদন্তি বলে, বিশাল পাথরের মূর্তি বা বিগ্রহ নিয়ে পালাতে গিয়ে সেনাপতিদের ঘোড়াগুলি এই স্থানে এসে 'হালা' বা ক্লান্ত হয়ে থমকে দাঁড়িয়েছিল।

কালা (কালো পাথর/মৃত্যু): 'কালা' শব্দটি এখানে কালো কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তির ইঙ্গিত দেয়, যা এখানে লুকানো হয়েছিল। আবার এটি সেনাপতি দামা-র নাম বা সেই সময়ের কালো ছায়া (বিপর্যয়)-র প্রতীকও হতে পারে।

৩. সেনাবাহিনীর সাথে সংযোগ
এই 'হালা-কালা' স্থানটি সম্ভবত সেই সময়ে সেনাবাহিনীর একটি কৌশলগত বিশ্রামস্থল বা নদী পারাপারের ঘাট ছিল।

যেহেতু এটি শ্বেতপুর ও হাড়িপুরের সংযোগস্থলে এবং পুরনো পদ্মা নদী/খালের ধারে অবস্থিত, তাই রাজকীয় বাহিনী বা ঘোড়সওয়াররা যুদ্ধের সময় বা যাতায়াতের পথে এখানে বিশ্রাম নিত।

ঘোড়াগুলি যে এখানে এসেই থেমে গিয়েছিল, তা প্রমাণ করে যে এটি ছিল রাজ্যের শেষ নিরাপদ আশ্রয়স্থল, যার পরে আর পালানোর পথ ছিল না।

তথ্যের সাথে 'চন্দ্রকেতু রাজার বৈঠকখানা'-র বিষয়টি যুক্ত করে বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:

৪. 'চন্দ্রকেতু রাজার বৈঠকখানা' হিসাবে পরিচিতি
'হালা-কালা' বা শ্বেতপুরের সংলগ্ন এই স্থানটির আরেকটি বড় পরিচয় হলো, স্থানীয় মানুষের কাছে এবং প্রত্নতাত্ত্বিক মানচিত্রে এটি "চন্দ্রকেতু রাজার বৈঠকখানা" নামেও পরিচিত।

রাজার বসার স্থান: জনশ্রুতি অনুযায়ী, মূল দুর্গের (গড়) বাইরে এটি ছিল রাজার একটি বিশেষ বিশ্রামাগার বা প্রশাসনিক কেন্দ্র। রাজা চন্দ্রকেতু বা তাঁর সেনাপতিরা (হামা-দামা) রাজ্য পরিদর্শনের সময় বা যুদ্ধের প্রয়োজনে এখানে এসে বসতেন এবং সভা করতেন। সেই থেকেই এর নাম 'বৈঠকখানা'।

কৌশলগত অবস্থান: যেহেতু এটি নদী বা খালের (পুরানো বিদ্যাধরী বা পদ্মা খাল) ধারে অবস্থিত, তাই এটি সম্ভবত একটি 'ওয়াচ-টাওয়ার' বা ঘাঁটি ছিল। এখান থেকেই নদীর গতিপথ এবং শত্রুর ওপর নজর রাখা হতো।

স্মৃতির মেলবন্ধন: সেনাপতিরা (হামা ও দামা) যখন বিগ্রহ নিয়ে পালিয়ে এখানে এসেছিলেন, তাঁরা সম্ভবত অজানা কোনো জায়গায় যাননি; তাঁরা তাঁদের পরিচিত এই 'বৈঠকখানা' বা ঘাঁটিতেই শেষ আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাই জায়গাটি একই সাথে সেনাপতিদের শেষ লড়াই (হালা-কালা) এবং রাজার সভার স্মৃতি (বৈঠকখানা) বহন করছে।

সারসংক্ষেপ:
চন্দ্রকেতু রাজার আমলে এই জায়গাটি ছিল সেই পবিত্র স্থান, যেখানে তাঁর সেনাপতিরা (হামা-দামা) রাজ্যের দেবতাকে বাঁচাতে গিয়ে 'হালা' (ক্লান্ত) হয়ে পড়েছিলেন এবং শেষমেশ বিগ্রহগুলিকে 'কালো' জলে বিসর্জন দিয়ে রক্ষা করেছিলেন।

Based on the local history and the legends of North 24 Parganas, here is the direct significance of the place called "Hala Kala" (or Halo Kalo) in King Chandraketu’s era, and who exactly went there.

1. Did King Chandraketu or his Army Chiefs come here?
The Army Chiefs (Hama & Dama): YES. The place "Hala Kala" is almost entirely significant because of Hama and Dama (the King's generals). According to the legend, they are the ones who came to this specific spot. It was their final destination while fleeing with the idols.

King Chandraketu: NO. The King is believed to have stayed back at the main Fort (Garh) in Berachampa to command the last defense or wait for the signal (the pigeons). He likely never reached the "Hala Kala" spot himself during the crisis; he died at the palace (Padmadaha) after seeing the black pigeons.

2. What is the Significance of "Hala Kala" in that Era?
In the context of Chandraketu Rajar era (approx. 14th Century in legend), this spot represents the "Point of No Return" or the "Site of Divine Sacrifice."

Here is why it is significant:

The End of the Escape: "Hala Kala" signifies the exact boundary where the strength of the Kingdom failed. The horses carrying the heavy idols became "Hala" (exhausted/immobilized). It marks the moment the generals realized they could not save the kingdom, so they had to save the Gods instead.

The Sanctuary of the Deities: This spot became a sacred "hiding place." By drowning the massive Vishnu and Shiva idols here (in the drying Padma river/pond), the generals converted this ordinary piece of land into a secret underwater temple. For centuries, the people of the area knew this spot contained "divine power" because the King's personal deities were sleeping beneath the water there.

The Name "Halo-Kalo" (Light & Darkness / Hama & Dama):

Halo (Light/White): Often associated with Hama or the "White Pigeon" hope that was lost.

Kalo (Darkness/Black): Associated with Dama, the "Black Pigeon" signal, and the Black Stone (Kasthi Pathar) Vishnu idol that was hidden there.

Significance: The name remembers the duality of that day—the bravery of the generals (Halo) and the tragic dark end of the dynasty (Kalo).

3. Connection to the Army Forces
The "Hala Kala" spot was likely a strategic crossing point for the army.

Since it sits near the Vidyadhari/Padma channel, it would have been a place where the King's naval forces or cavalry (horses) would cross to go towards Hadipur or Shwetpur.

The fact that the horses "rested" here suggests it might have been a known Army Halt Station or a grazing ground in peaceful times, which is why the generals knew to head there when fleeing.

Summary
Who was there: The Army Chiefs (Hama & Dama) and the Royal Horses.

Why it matters: It is the graveyard of the Royal Idols. It is the place where the King's deities were "sacrificed" to the water to save them from the enemy.

Source: Google gemini and Chagpt and multiple historical sites

Address

Halo Kalo Roy Para, Sohai, Khanpur Road
Deganga
743423

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sohai Halo Kalo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category