15/05/2023
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষন করে ,
একজন হলদিয়া শহর তৃনমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ সৈনিকের মনের কথা আপনাদের সামনে উপস্থাপনা করছি ✍️
ছবিতে থাকা উক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অবদানের কথা বলবো একটু মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
১/ তুষার কান্তি মন্ডল
১৯৯৮ সালে ১ লা জানুয়ারি প্রদেশ কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। উনি প্রায় ৪০ বছর ধরে বিগত বছর ধরে হলদিয়ার মাটিতে রাজনীতির সাথে যুক্ত।
২ / সুধাংশু শেখর মন্ডল
উনি প্রায় ৫০ বছর ধরে হলদিয়ার মাটিতে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
৩ / জ্যোতি প্রসাদ দাস।
হলদিয়ার মাটিতে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত প্রায় ৫০ বছর ধরে।
৪/ শিবনাথ সরকার।
হলদিয়ার মাটিতে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত প্রায় ৪০ বছর ধরে।
৫ / মিলন মন্ডল।
হলদিয়ার মাটিতে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত প্রায় ৩৫ বছর ধরে।
৬ / Ajijul Rahaman
হলদিয়ার মাটিতে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত প্রায় ৩৫ বছর ধরে।
কিছুদিন আগে হলদিয়ার বিভিন্ন কারখানার " INTTUC " পরিচালন কমিটি ঘোষিত হয়েছে। প্রায় সবজায়গাতেই প্রেসিডেন্ট, ভাইসপ্রেসিডেন্ট কারখানার বাইরের নেতাদের রাখা হয়েছে। সেই নামগুলো তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে আমার অত্যন্ত বিস্ময়কর ও হতাশাজনক মনে হলো। তাই সবার সাথে শেয়ার করলাম।
বিষয়গুলো হলো......👇
👉 আমাদের প্রিয় দিদি যখন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস দলটি গঠন করলেন তখন যে চারজন বিধায়ক কংগ্রেসের সমস্ত সুযোগ সুবিধা থেকে নিজেদের বঞ্চিত করে দিদির হাত ধরলেন, তাদের মধ্যে একজন আমাদের সুতাহাটা বিধানসভার বিধায়ক তুষার মন্ডল মহাশয়। যেনাকে দিদি অত্যন্ত ভালোবাসেন। তার নমুনা ২১শের নির্বাচনের প্রাক্কালে দিদির সুতাহাটার জনসভায় এবং পরবর্তীতেও পেয়েছি। কিন্তু INTTUC কমিটি তাকে ভুলে গেলেন কেন.....⁉️
👉 হলদিয়ার আর একজন বর্ষীয়ান নেতা যিনি দলের দুর্দিনে এই বিধানসভার প্রতিটি বুথে বুথে গিয়ে সেখানকার সংগঠনের ভীত মজবুত করার প্রচেষ্টা করেছেন, এমন কোনো বুথ নেই যেখানে উনি যান নি। তিনি সুধাংশু মন্ডল। তিনিও কমিটির বাইরে। আরও একজন বর্ষীয়ান নেতা জ্যোতিপ্রসাদ দাস। উনিও আউট। শুধু ভোট আসলেই দল এনাদের ডেকে পাঠায়।
👉 দীর্ঘদিন শ্রমিক সংগঠনের নেতা ও আগের জেলা সভাপতি শিবনাথ সরকারের নাম কোথাও দেখলাম না, যার ওপর রাজ্যসভাপতি ভীষণ আস্থার সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন। তিনি কি এমন করলেন যে একবারে মাঠের বাইরে.....⁉️
👉 CPIM এর আমলে ওদের শ্রমিক সংগঠন CITU সাথে চোখে চোখ রেখে যাদের লড়াই করতে দেখেছি তাদের মধ্যে যে নামগুলো পুরো হলদিয়বাসী জানে তারা হলেন.... "মিলন মন্ডল",
" সেক আজিজুল রহমান "
" দেবপ্রসাদ মন্ডল. "
এনাদের মধ্যে একজনকে দেখলাম বাকি দুজন কোন দোষের অপরাধী?
আজিজুল রহমান সংখ্যালঘু নেতা সেজন্য না কি কোনো ব্যাক্তিগত আক্রোশ আছে⁉️
বামফ্রন্টের জামানা থেকে মিলন মন্ডল ও আজিজুল রহমান এই দুজন নেতাকে HPL থেকে শুরু করে বিভিন্ন কারখানার গেটে শ্রমিকদের সাথে আন্দোলন করতে দেখেছি, সিপিএমের হাতে মারও খেতে দেখেছি, তাহলে একজন দায়িত্ব পেলেন আর অন্য একজন বঞ্চিত কেন..?
বর্তমানে কিছু কিছু জায়গায় এমন নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যাদের বিরুদ্ধে শ্রমিকরা কারখানার গেটে মাইক লাগিয়ে নাম ধরে ধরে বিক্ষোভ করেছে। তারাই আবার ঐ কারখানার কমিটিতে। শ্রমিক অসন্তোষ কমবে তো? ভোট পাবেন তো?
না কি ইচ্ছাকৃত ভাবে বিজেপির হাত শক্ত করার উদ্দেশ্যে আছে।
এদিকে আবার আইএনটিটিইউসি রাজ্যসভাপতি বলেছেন কোনো নেতার কাছে যাবেন না, ওদের কোনো ক্ষমতা নেই। তাহলে আগামীতে ভোট কে বা কারা করাবেন? কর্মীরা তো অনলাইনে আবেদন করতে করতে হাঁপিয়ে গেছে, মিটিং মিছিলে যাবে তো? আমরা সাধারণ কর্মীরা আজ বিভ্রান্ত। হলদিয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এখন বিরোধীদের হাসির খোরাক হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী এখন থেকে বলছে হলদিয়া পৌরসভা তে ওয়াক ওভার পাবে। পরিস্থিতি যেরকম এখন তো ওটাই সত্যি হতে চলেছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ✊।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ✊।
হলদিয়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ কর্মী জিন্দাবাদ ✊।