Azad islam

Azad islam এসো ইসলামিক দীনের রাস্তায়।

11/02/2025

অন্ধ মুরিদদের জন্য কিছু কথা

17/10/2024

ফেসবুকে স্ত্রীর ছবি তারাই আপলোড দেয়,
যারা মনে করে বউটা শুধু নিজের না, গোটা দেশের সম্পদ!
বেহায়া, নির্লজ্জ স্বামী 😡

13/10/2022

প্রশ্নঃ অন্যায়ভাবে কাউকে কষ্ট দেওয়ার বিধান কি?

উত্তরঃ কাউকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দেওয়া হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তির নিকট তার প্রতিবেশী নিরাপদ নয়, সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৯৬৩)। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট এক ব্যক্তি সম্পর্কে আলোচনা করা হল, যে অধিক ছালাত, ছিয়াম ও যাকাত আদায় করে। কিন্তু যবান দ্বারা তার প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়। তার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, সে জাহান্নামে যাবে (আহমাদ, বায়হাক্বী, মিশকাত হা/৪৯৯২)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আরো বলেন, আল্লাহর কসম! ঐ ব্যক্তি মুমিন নয় (৩ বার), যার অনিষ্টকারিতা হতে তার প্রতিবেশী নিরাপদ নয় (বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত হা/৪৯৬২)।

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কি জানো, (প্রকৃত) গরীব কে? সহাবায়ে কিরাম বললেনঃ আমরা তো মনে করি, আমাদের মধ্যে যার টাকা-পয়সা, ধনদৌলত নেই, সে-ই গরীব। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ কিয়ামতের দিন আমার উম্মাতের মধ্যে ঐ ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি গরীব হবে, যে ব্যক্তি দুনিয়া থেকে সালাত, সিয়াম ও যাকাত আদায় করে আসবে; কিন্তু সাথে সাথে সেসব লোকেদেরকেও নিয়ে আসবে যে, সে কাউকে গালি দিয়েছে, কারো অপবাদ রটিয়েছে, কারো সম্পদ খেয়েছে, কাউকে হত্যা করেছে এবং কাউকে প্রহার করেছে; এমন ব্যক্তিদেরকে তার নেকীগুলো দিয়ে দেয়া হবে। অতঃপর যখন তার পুণ্য শেষ হয়ে যাবে অথচ পাওনাদারদের পাওনা তখনো বাকি, তখন পাওনাদারদের গুনাহ তথা পাপ তার ওপর ঢেলে দেয়া হবে, আর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে (মুসলিম, মিশকাত হা/৫১২৭)।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন, অন্য কাউকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকার তাওফীক দান করুন,, আমিন।

আল্লাহু আকবর বলার কুরআন ভিত্তিক দলিল:প্রথমত: সূরা বনী ইসরাইলের ১১১ আয়াতের শেষে আল্লাহ ঈমানদারদেরকে একটি আদেশ করেছেন। আর ...
07/10/2022

আল্লাহু আকবর বলার কুরআন ভিত্তিক দলিল:

প্রথমত: সূরা বনী ইসরাইলের ১১১ আয়াতের শেষে আল্লাহ ঈমানদারদেরকে একটি আদেশ করেছেন। আর তা হলো "ওয়া কাব্বিরহু তাক্বিরান"
وَكَبِّرْهُ تَكْبِيرًا
অর্থ- আর তাঁর (আল্লাহর) বড়ত্ব (greatness) ঘোষণা করো যথোপযুক্ত ভাবে।(অর্থাৎ যতটা বড় করে করা যায়।) /and magnify Allah (with all) magnificence.

এ ছাড়াও ২/১৮৫, ২২/৩৭, ৭৪/৩ আয়াতে আল্লাহর বড়ত্ব (greatness) ঘোষণা করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এই আয়াত গুলিতে আল্লাহ যে আদেশ দিয়েছেন তা পালন করা প্রতিটি ঈমান্দারের জন্য অবশ্য কর্তব্য।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই আদেশ আমরা কিভাবে পালন করব? বা আল্লাহর এই আদেশের জবাব কি হবে?
(১৭:১১১) আয়াতে আল্লাহ তাঁর বড়ত্ব (greatness) ঘোষণা করার যে আদেশ দিয়েছেন, তার জবাবে তো আপনাকে এমন কিছুই বলতে তবে যা দ্বারা আল্লাহর বড়ত্ব প্রকাশ পায়। আর তা
তো "আল্লাহ বড় (Allah is great) বা আল্লাহ মহান" এমনই হওয়া উচিত।

" রাব্বুন আল্লাহ" বা "হাসবিআল্লাহ" বা এ জাতীয় কোনো বাক্য দ্বারা কোনো ভাবেই ঐ আদেশের জবাব হয় না। কারণ এগুলো দ্বারা আল্লাহর বড়ত্ব প্রকাশ পায় না।

আসুন দেখি আরবি ব্যাকরণ কি বলে।

আরবি তিন বর্ণের root বা শব্দ মূল (কাফ-বা-রা/ ك ب ر) দ্বারা গঠিত শব্দ সমূহের মূল অর্থ-(বড়,কঠোর,কঠিন, বৃহত্তর,শ্রেষ্ঠ, মহা ও মহান) বা কাউকে (শক্তি, ক্ষমতা, সম্মান, মর্যাদা ) ইত্যাদির দিক থেকে বড় বলা, ভাবা বা ঘোষণা করা অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে।

এখন দেখা যাক এই তিন বর্ণের root বা শব্দ মূল (কাফ-বা-রা/ ك ب ر) ) থেকে গঠিত কুরআনে ব্যাবহৃত শব্দ গুলি কি কি?

💐 যেমন- ফেলে মা'জি(অতীত কালীন ক্রিয়া) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে "কাবুরা, কাবিরা, কাব্বারা ইত্যাদি।

💐 ফেলে মু'জারে (বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালীন ক্রিয়া) হিসেবে ব্যাবহৃত হয়েছে "কাব্বির, ইয়াকবারু, ইয়াকবুরু ইত্যাদি।
💐 ফেলে আমার (আদেশ সূচক ক্রিয়া) হিসেবে ব্যাবহৃত হয়েছে "কাব্বির"।
💐 Verbal noun (ক্রিয়া বিশেষ্য) হিসেবে ব্যাবহৃত হয়েছে "তাকবীর"।
💐 Noun হিসেবে ব্যাবহৃত হয়েছে " কাবিরান, মুতাকাববিরিন, মুতাকাববিরিনা"ইত্যাদি।
💐 Nominal noun (নাম বাচক বিশেষ্য) হিসেবে ব্যাবহৃত হয়েছে "আকবারু, আকবারা"।
💐 Nominal adjective (নাম বাচক বিশেষণ) হিসেবে ব্যাবহৃত হয়েছে "কাবিরু, কাবিরুন, কাবিরান, কাবিরিন, আল কুবরা" ইত্যাদি।
💐 Adjective (বিশেষণ) হিসেবে ব্যাবহৃত হয়েছে "আকবারু,আল আকবারা, আল আকবারি"।

(কাফ-বা-রা/ ك ب ر) root থেকে গঠিত শব্দ সমূহের মধ্যে উপরে উল্লেখিত শব্দ সমূহই কুরআনে সর্বাধিক ব্যাবহৃত হয়েছে। আর দুই একটি বাতিক্রম ছাড়া উপরে উল্লেখিত সকল শব্দের অর্থ একই রকম।

উপরে উল্লেখিত শব্দ গুলির মধ্যে বড়ত্ব (greatness) প্রকাশের জন্য adjective হিসেবে মহান রব, আল্লাহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে "কাবির ও আকবার" শব্দ দুটি ব্যবহার করেছেন।

এবার (১৭:১১১)। আয়াতে ব্যবহৃত শব্দ "কাব্বির" ও "তাকবীরান" শব্দ দুইটিকে বিশ্লেষণ করা যাক।

"কাব্বির" ও "তাকবীর/তাকবীরান" শব্দ দুইটি একই root(কাফ-বা-রা/ ك ب ر) থেকে গঠিত, যারা অর্থের দিক থেকে সমার্থক কিন্তু ব্যবহারের দিক থেকে (parts of speech) আলাদা।

এখানে "কাব্বির" এমন একটি verb যা তার সমার্থক অর্থ বোধক object/কর্মপদ (তাকবীরান) গ্রহণ করায় সেকেন্ড পারসন অর্থাৎ যাদের কাছ থেকে আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করার কাজটি চাওয়া হচ্ছে, তাদের কাজ কি হবে অর্থাৎ তারা জবাবে কি বলবে তা ঐ আদেশের মধ্যেই বলে দেওয়া হয়েছে।

এখানে "তাকবীরান" শব্দটি verbal noun যা "কাব্বির" verb টি দ্বারা যে আদেশ দেওয়া হয়েছে, তার জবাব কি হবে বলে দেয়। আর তাহলো," যত বড় করে আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষণা করা যায়, তত বড় করে আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা।"

তাহলে(১৭:১১১) আয়াত অনুযায়ী আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করতে হলে প্রথমে Subject হিসেবে "আল্লাহ" অতঃপর be verb হিসেবে "am/is/are" অতঃপর আল্লাহর সর্বোচ্চ বড়ত্ব প্রকাশক একটি adjective আনতে হবে। আর কুরআনে বড়ত্ব প্রকাশক বহুল ব্যবহৃত adjective হলো "কাবির" ও "আকবার"। তবে আরবিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে be verb (am/is/are) উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় না।

নিচের আয়াত গুলি লক্ষ্য করুন

وَأَنَّ اللَّهَ هُوَ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ
(৩১:৩০)। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ, তিনি তো সমুচ্চ মহান।
إِنَّ اللّهَ كَانَ عَلِيًّا كَبِيرًا
(৪:৩৪)। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ সমুচ্চ মহান।

আরও দেখুন ৪/৩৪, ২২/৬২, ১৩/৯, ৪২/২২, ৩৫/৩২, ৩৪/২৩ আয়াত সমূহ।

উপরোক্ত আয়াত দুইটিতে আল্লাহ নিজের বড়ত্ব প্রকাশ করতে "কাবির" শব্দটি ব্যবহার করেছেন। কিন্তু "কাবির" শব্দটি একক ভাবে তার সর্বোচ্চ বড়ত্ব প্রকাশ করতে না পারায় তিনি "কাবির" শব্দের পূর্বে "আলিউন/আলিআন" শব্দ দ্বারা কাবির শব্দকে শক্তিশালী করেছেন।

"কাবির" শব্দটি সর্বোচ্চ বড়ত্ব/শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করে না।
নিচের আয়াত দুইটি লক্ষ্য করুন।

يَسْأَلُونَكَ عَنِ الشَّهْرِ الْحَرَامِ قِتَالٍ فِيهِ قُلْ قِتَالٌ فِيهِ كَبِيرٌ وَصَدٌّ عَن سَبِيلِ اللّهِ وَكُفْرٌ بِهِ وَالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَإِخْرَاجُ أَهْلِهِ مِنْهُ أَكْبَرُ عِندَ اللّهِ وَالْفِتْنَةُ أَكْبَرُ مِنَ الْقَتْلِ وَلاَ يَزَالُونَ يُقَاتِلُونَكُمْ حَتَّىَ يَرُدُّوكُمْ عَن دِينِكُمْ إِنِ اسْتَطَاعُواْ وَمَن يَرْتَدِدْ مِنكُمْ عَن دِينِهِ فَيَمُتْ وَهُوَ كَافِرٌ فَأُوْلَـئِكَ حَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَأُوْلَـئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ

(২:২১৭)। সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।

আয়াতে "কাবির" শব্দটি বড় ও "আকবার" শব্দটি তার চেয়েও বড় বুঝাতে ব্যাবহৃত হয়েছে।

يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ قُلْ فِيهِمَا إِثْمٌ كَبِيرٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ وَإِثْمُهُمَآ أَكْبَرُ مِن نَّفْعِهِمَا وَيَسْأَلُونَكَ مَاذَا يُنفِقُونَ قُلِ الْعَفْوَ كَذَلِكَ يُبيِّنُ اللّهُ لَكُمُ الآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ

(২:২১৯)। তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দাও, এতদুভয়ের মধ্যে রয়েছে মহাপাপ। আর মানুষের জন্যে উপকারিতাও রয়েছে, তবে এগুলোর পাপ উপকারিতা অপেক্ষা অনেক বড়। আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, কি তারা ব্যয় করবে? বলে দাও, নিজেদের প্রয়োজনীয় ব্যয়ের পর যা বাঁচে তাই খরচ করবে। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্দেশ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা করতে পার।

এখানেও "আকবার" শব্দটি অধিক বড় বুঝতে ব্যাবহৃত হয়েছে।

আরবিতে "কাবির" শব্দটি positive ডিগ্রি আর "আকবার" শব্দটি superlative ডিগ্রী। যা "তাকবীর/তাকবীরান" Verbal Noun টির adjective form এবংএকই root(কাফ-বা-রা/ ك ب ر) থেকে উৎপন্ন।

নিচের আয়াত টি লক্ষ্য করুন।

وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ
(২৯:৪৫)। আর আল্লাহর জিকির ই শ্রেষ্ঠ।

এ ছাড়াও ৯/৭২ ও ৪০/১০ আয়াতে
আল্লাহর "সুন্তুষ্টি" ও "ক্ষোভ" সবচয়ে বড়(superlative degree) বুঝতে "আল্লাহি আকবার" ব্যবহার করা হয়েছে। তাহলে কুরআন অনুযায়ী সর্বোচ্চ বড়ত্ব প্রকাশক adjective হলো "আকবার"।

অতএব (১৭:১১১)। আয়াতে প্রদত্ত আল্লাহর আদেশের জবাব হবে, "আল্লাহু আকবার"।

কাজেই যে যারা "আল্লাহু আকবার" সরাসরি কুরআনে নাই বলে আল্লাহর বড়ত্বের এই ঘোষণা (তাকবীর) কে অকুরাণীক দাবি করে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন, তাদেরকে বলবো আপনারা তওবা করত: নিজেদেরকে সংশোধন করে নিন।

হে আমাদের রব! আমাদের পাপ ও সীমা লংঘন ক্ষমা করুন। আর আমাদেরকে আপনার কিতাবের সঠিক জ্ঞান দান করুন। আর আমাদের প্রত্যাবর্তন তো আপনারই নিকটে।

01/10/2022

*প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান:*

_সংকলন ও গ্রন্থনা : মুহা: আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী (লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)_

*(পর্ব- ১)*

*_👉বিষয়: দুয়া ও যিকির_*

১. প্রশ্নঃ নিদ্রা যাওয়ার সময় কোন দুআ পাঠ করতে হবে?
উত্তরঃ

بِاسْمِكَ اللهُمَّ أَمُوتُ وَأَحْيَا
উচ্চারণঃ বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমূতু ওয়া আহইয়া।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার নামে মৃত্যু বরণ করছি, তোমার নামেই জীবিত হব।
২.প্রশ্নঃ নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে কোন দুআ পাঠ করতে হবে?
উত্তরঃ

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
উচ্চারণঃ আল হামদু লিল্লাহিল্লাযী আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন্নুশূর।
অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর পর জীবিত করেছেন। আর তার কাছেই আমাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
৩. প্রশ্নঃ আযানের শেষে পঠিতব্য দুআটি কি?
উত্তরঃ

اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ্‌ দওয়াতিত্‌ তাম্মাহ ওয়াস্‌ সালাওয়াতিল কায়িমাহ আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতি ওয়াল ফযীলাহ ওয়াবআছহু মাকামাম্মাহমূদানিল্লাজি ওয়াআদতাহ।
হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহবান এবং এই প্রতিতি নামাযের তুমিই প্রভূ। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে দান কর সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান এবং সুমহান মর্যাদা। তাঁকে প্রতিষ্ঠিত কর প্রশংসিত স্থানে যার অঙ্গিকার তুমি তাঁকে দিয়েছো।
৪. প্রশ্নঃ ওযুর শুরুতে কি পাঠ করতে হবে?
بسم الله বিসমিল্লাহ। এছাড়া অন্য কোন দুআ পড়া বিদআত।
৫.প্রশ্নঃ ওযুর শেষে কোন দুআ পাঠ করলে বেহেস্তের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হবে?
উত্তরঃ

أشْهَدُ أنْ لإَاِلَهَ إلاَّاللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أنَّ مُحَمَّدًاعَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
উচ্চারণঃআশহাদুআল্লা-ইলাহাইল্লাল্লাহুওয়াহদাহুলাশারীকালাহুওয়াআশহাদুআন্নামুহাম্মাদানআবদুহুওয়ারাসূলুহু।
৭৫৯. প্রশ্নঃ মসজিদে প্রবেশের দুআ কি?
উত্তরঃ

اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
Advertisements

REPORT THIS AD

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মাফতাহলী আবওয়াবা রাহমাতিকা। হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ উম্মুক্ত করে দাও।
৬.প্রশ্নঃ মসজিদ থেকে বের হওয়ার দুআ কি?
উত্তরঃ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাযলিকা। হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার অনুগ্রহ প্রর্থনা করছি।
৭. প্রশ্নঃ টয়লেটে প্রবেশের দুআ কি?
উত্তরঃ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ
উচ্চারণঃ আল্লাহম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ। হে আল্লাহ! তোমার নিকট আশ্রয় কামনা করি- যাবতীয় দুষ্ট জিন ও জিন্নী থেকে।
৮. প্রশ্নঃ টয়লেট থেকে বের হওয়ার দুআ কি?
উত্তরঃ

غُفْرَانَكَ
(গুফরানাকা) তোমার ক্ষমা চাই হে প্রভু!
৯. প্রশ্নঃ রাগম্বিত হলে রাগ দূর করার দুআ কি?
উত্তরঃ

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
উচ্চারণঃ আউযু বিল্লাহি মিনাশ্‌ শায়তানির রাযীম।
১০. প্রশ্নঃ লাইলাতুল ক্বদরের দুআ কি?
উত্তরঃ

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওয়ুন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নী।
হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করাকে আপনি পছন্দ করেন। তাই আমাকে ক্ষমা করুন।
১১. প্রশ্নঃ কেউ কোন উপকার করলে তার জন্য কি দুআ করতে হয়?
উত্তরঃ

جَزَاكَ اللَّهُ خَيْراً
যাজাকাল্লাহু খাইরান।
১২. প্রশ্নঃ রোগী দেখার সময় পাঠ করার দুআ কি?
উত্তরঃ

لَا بَأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
Advertisements

REPORT THIS AD

লা বাস তাহূর ইনশাআল্লাহ।
আপনার কোন অসুবিধা না হোক! আল্লাহ চাহে তো আপনি অতি সত্বর সুস্থ হয়ে উঠবেন।
১৩. প্রশ্নঃ পানাহারের সময় কি দুআ বলতে হয়?
উত্তর:

بسم الله
বিসমিল্লাহ
১৪. প্রশ্নঃ পানাহারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে কি করবে?
উত্তরঃ

بِسْمِ اللَّهِ فِي أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ
বিসমিল্লাহি ফী আওয়ালিহি ওয়া আখিরিহি।
১৫. প্রশ্নঃ পানাহার শেষ করে পাঠ করার দুআ কি?
উত্তরঃ

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلاقُوَّةٍ
উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী আত্বআমানী হাযা ওয়া রাযাকানীহে মিন গাইরি হাওলিন মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন। সকল প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাকে ইহা খাইয়েছেন ও রিযিক হিসেবে দান করেছেন। যাতে আমার শক্তি ও সামর্থ কিছুই ছিল না।
১৬. প্রশ্নঃ কেউ যদি খানাপিনা করায়, তবে তাকে উদ্দেশ্য করে কি দুআ বলবে?
উত্তরঃ

اللَّهُمَّ أَطْعِمْ مَنْ أَطْعَمَنِي وَأَسْقِ مَنْ أَسْقَانِي
(আল্লাহুম্মা আত্‌য়েম্‌ মান্‌ আত্‌আমানী ওয়াস্‌ কে মান আসক্বানী) হে আল্লাহ আমাকে যে খাইয়েছে তাকে তুমি খাদ্য দান কর, যে আমাকে পান করিয়েছে তাকে তুমি পান করাও।
১৭. প্রশ্নঃ পিতা-মাতার জন্য কি দুআ পড়তে হয়?
উত্তরঃ

رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
উচ্চারণঃ রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানী সাগীরা। হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার উভয়ের উপর অনুগ্রহ করুন, যেমনভাবে তারা আমাকে ছোটকালে লালন-পালন করেছিল।
১৮. প্রশ্নঃ জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য দুআ কি?
উত্তরঃ

رَبِّ زِدْنِيْ عِلْماً
রাব্বি যিদনী ইলমা। হে আমার পালনকর্তা! আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দাও।
১৯. প্রশ্নঃ দুনিয়া-আখেরাতের কল্যাণ কামনার দুআ কি?
উত্তরঃ

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণঃ রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতান ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতান ওয়া ক্বিনা আযাবান্নার। হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান কর। আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর।
২০. প্রশ্নঃ আদম ও হাওয়া (আঃ) জান্নাত থেকে বের হওয়ার পর কোন্‌ দুআটি পাঠ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন?
উত্তরঃ

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنْ الْخَاسِرِينَ
উচ্চারণঃ রাব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইন্‌ লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকূনান্না মিনাল খাসেরীন। হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিজেদের উপর যুলুম করেছি। তুমি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না কর, আমাদের প্রতি দয়া না কর, তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাব।(সূরা আরাফঃ ২৩)
২১. প্রশ্নঃ বিপদ-মুছীবতে পড়লে কোন দুআ পাঠ করবে?
উত্তরঃ

لا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنْ الظَّالِمِينَ
লা-ইলাহা ইল্লা আন্‌তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্‌যালেমীন।
২২. প্রশ্নঃ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় কি দুআ পড়তে হয়?
উত্তরঃ

بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি।
২৩. প্রশ্নঃ সোওয়ারীতে আরোহন করার দুআ কি?
উত্তরঃ

سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ
উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাযী সাখ্‌খারা লানা হাযা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরেনীন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্বালিবূন।
২৪. প্রশ্নঃ গৃহে প্রবেশ করার দুআ কি?
উত্তরঃ

بِسْمِ اللَّهِ وَلَجْنَا وَبِسْمِ اللَّهِ خَرَجْنَا وَعَلَى اللَّهِ رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা ওয়া আলা রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা।
২৫. প্রশ্নঃ ইউনূস (আঃ) মাছের পেটে থাকাকালিন কোন দুআ পড়েছিলেন?
উত্তরঃ

لا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنْ الظَّالِمِينَ
লাইলাহা ইল্লা আন্‌তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্‌যালেমীন।
২৬.প্রশ্নঃ জান্নাতের একটি গুপ্তধন কি?
উত্তরঃ

لا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
লাহাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
২৭. প্রশ্নঃ দুটি কালেমা- মুখে উচ্চারণ করতে খুবই সহজ, পাল্লায় অনেক ভারী এবং আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। উহা কি?
উত্তরঃ

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ
সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযীম।
২৮. প্রশ্নঃ নতুন কাপড় পরিধান করার দুআ কি?
উত্তরঃ

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي هَذَا الثَّوْبَ وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلا قُوَّةٍ.
উচ্চারণঃ আল্‌ হামদুলিল্লাহিল্লাযী কাসানী হাযাছ্‌ ছওবা ওয়া রাযাক্বানীহে মিন গায়রে হাওলীন্‌ মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন্‌। সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে এই পোষাক পরিয়েছেন এবং জীবিকা হিসেবে দান করেছেন, যাতে আমার শক্তি ও সামর্থ কিছুই ছিল না।
২৯. প্রশ্নঃ একটি দুআ আছে কোন মানুষ যদি উহা দিনে একশত বার পাঠ করে, তাকে দশজন ক্রীতদাস মুক্ত করার ছওয়াব দেয়া হবে, তার জন্য একশতটি নেকী লেখা হবে, একশতটি গুনাহ ক্ষমা করা হবে, সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদিন উহা তার জন্য রক্ষা কবচ হবে এবং তার চাইতে উত্তম আমল কেউ আর নিয়ে আসতে পারবে না- তবে ঐ ব্যক্তির কথা ভিন্ন যে এর চাইতে বেশী আমল করবে। সে দুআটি কি?
উত্তরঃ

لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লী শাইয়্যিন ক্বাদীর।
৩০. প্রশ্নঃ কোন্‌ তাসবীহটি দৈনিক একশতবার পড়লে- পাপ সমূহ সমুদ্রের ফেনারাশী পরিমাণ হলেও ক্ষমা করা হবে?
উত্তরঃ

سبحان الله وبحمده
সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহি।
৩১. প্রশ্নঃ সকাল-সন্ধ্যায় পঠিতব্য অনেক দুআ আছে তম্মধ্যে একটি উল্লেখ কর?
উত্তরঃ

اللهُمَّ بِكَ أصْبَحْناَ وبِكَ أمسَيْناَ وبِكَ نَحْياَ وَبِكَ نَمُوْتُ وَإلَيْكَ النُّشُوْرُ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা বিকা আস্‌বাহনা ওয়া বিকা আমসায়না ওয়া বিকা নাহইয়া ওয়া বিকা নামূতু ওয়া ইলাইকান্‌ নুশূর। হে আল্লাহ তোমার অনুগ্রহে সকাল করেছি এবং তোমার অনুগ্রহে সন্ধ্যা করেছি, তোমার করুণায় জীবন লাভ করি এবং তোমার ইচ্ছায় আমরা মৃত্যু বরণ করব, আর কিয়ামত দিবসে তোমার কাছেই পূণরুত্থিত হতে হবে।
৩২. প্রশ্নঃ নব বিবাহিত বরের উদ্দেশ্যে কি দুআ বলবে?
উত্তরঃ

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ
(বারাকাল্লাহু লাকা ওয়া বারাকা ওলাইকা ওয়া জামাআ বাইনাকুমা ফী খাইরিন্‌।)
৩৩. প্রশ্নঃ কোন দুআটি একবার পাঠ করলে আল্লাহ দশবার রহমত নাযিল করবেন?
উত্তরঃ দরূদ শরীফ।
৩৪. প্রশ্নঃ বিপদ-মুসীবতেপড়লেকোনদুআপাঠকরবে?
উত্তরঃ

إناَّ للهِ وإناَّ إلَيْهِ راَجِعُوْنَ، اللهمَّ أجُرْنِيْ فِيْ مُصِيبَتِيْ واَخْلُفْ لِيْ خَيْراً مِنْهاَ
(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেঊন, আল্লাহুম্মাজুরনী ফী মুছীবাতী ওয়াখ্‌লুফলী খায়রান্‌ মিনহা)আমরা আল্লাহরজন্য এবংআমরা আল্লাহর কাছেই প্রত্যাবর্তন করব।হেআল্লাহ আমার বিপদে আমাকে প্রতিদান দাও এবং আমাকে এর বিপরীতে উত্তম বিষয় দান কর।
৩৫. প্রশ্নঃ হজ্জের মাঠে (আরাফাতের দিবসের) শ্রেষ্ঠ দুআ কি?
উত্তরঃ

لاَ إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লী শাইয়্যিন ক্বাদীর।
৩৬. প্রশ্নঃ শরীরের কোন স্থানে জখম বা ফোঁড়া হলে কি দুআ পড়বে?
উত্তরঃ তর্জনী আঙ্গুলে থুথু লাগাবে তারপর তা দ্বারা মাটি স্পর্শ করবে এবং সেই মাটি জখম বা ফোঁড়ার স্থানে লাগাবে ও সে সময় এই দুআ পাঠ করবে: (بِسْمِ الله، تُرْبَةُ أرْضِناَ بِرِيْقَةِ بَعْضِناَ، يُشْفَى سَقِيْمُناَ بإذْنِ رَبِّناَ) (বিসমিল্লাহ, তুরবানতু আরযেনা বেরীক্বাতে বা’যেনা ইউশ্‌ফা সাক্বীমুনা বিইযনে রাব্বিনা) আল্লাহর নামে, আমাদের যমীনের কিছু মাটি, আমাদের একজনের থুথুর দ্বারা আমাদের রবের অনুমতিতে আমাদের রুগীর আরোগ্য হবে।
৩৭. প্রশ্নঃ বিষধর প্রাণী বা সাপে কাটলে কোন দুআ পড়ে পড়ে রুগীকে ঝাড়-ফুঁক করবে?
উত্তরঃ সূরা ফাতিহা

29/09/2022

🌿🌿জান্নাত পেতে কে না চায়! কারণ এর থেকে উত্তম প্রতিদান আর কি-ই বা হতে পারে!

আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,

তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা এবং জান্নাতের দিকে ছুটে যাও যার সীমানা হচ্ছে আসমান ও যমীন, যা তৈরী করা হয়েছে পরহেযগারদের জন্য।

যারা স্বচ্ছলতায় ও অভাবের সময় ব্যয় করে, যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে, বস্তুতঃ আল্লাহ সৎকর্মশীলদিগকেই ভালবাসেন।

তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুলুম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনে-শুনে তাই করতে থাকে না।

তাদেরই জন্য প্রতিদান হলো তাদের পালনকর্তার ক্ষমা ও জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে প্রস্রবণ যেখানে তারা থাকবে অনন্তকাল। যারা কাজ করে তাদের জন্য কতইনা চমৎকার প্রতিদান।

[সূরাঃ আলে-ইমরান, আয়াত ১৩৩-১৩৬]

আল্লাহ তা'য়ালা আমাদেরকে উপরোক্ত নির্দেশনাবলি মেনে চলার ও এর উত্তম প্রতিদান হিসেবে জান্নাত লাভের তাওফীক দান করুন,, আমিন।

যে ইহুদি নবিজীকে (সাঃ) ঋণ দেনএকজন সাহাবীর (রাঃ) প্রয়োজন মেটানোর জন্য নবিজী (সাঃ) এক ইহুদির নিকট থেকে ঋণ নেন। তিনি (সাঃ) ...
29/09/2022

যে ইহুদি নবিজীকে (সাঃ) ঋণ দেন
একজন সাহাবীর (রাঃ) প্রয়োজন মেটানোর জন্য নবিজী (সাঃ) এক ইহুদির নিকট থেকে ঋণ নেন। তিনি (সাঃ) পরিশোধের তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। পরে একদিন নবিজী (সাঃ) একটি জানাযা থেকে ফিরছেন। সাথে ছিলেন আবু বকর, উমর (রাঃ) প্রমুখ সাহাবী। এসময় ঐ ইহুদি লোকটি নবিজীর (সাঃ) গলার চাদর টেনে ধরে কর্কশ ভাষায় বললো-
“ও মুহাম্মদ! আমার কাছ থেকে যে ঋণ নিয়েছিলে, সেই অর্থ কোথায়? আমি তো তোমার পরিবারকে চিনি। ঋণ নিলে তোমাদের আর কোনো খবর থাকে না!”
নবিজী (সাঃ) তখন মদীনার রাষ্ট্রপ্রধান। তাঁর কথায় হাজার হাজার সাহাবী (রাঃ) জীবন দিতে প্রস্তুত। তাঁকে (সাঃ) সবার সামনে এতো বড়ো অপমান করা হলো? অথচ ঋণ পরিশোধের ধার্যকৃত তারিখ অনেক বাকি আছে। উমর (রাঃ) এটা সহ্য করতে পারলেন না। তিনি তাঁর বলে উঠলেন-
“ইয়া রাসূলাল্লাহ (সাঃ)! আপনি অনুমতি দিন, তার গলা থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলি?”
ইহুদিরা নবিজীকে (সাঃ) নবী বলে স্বীকৃতি না দিক, নিজেদের স্বাক্ষরিত মদীনা সনদের আলোকে প্রেসিডেন্ট ও চিফ জাস্টিস হিসেবে তো স্বীকৃতি দেয়। ইহুদির অমার্জিত আচরণ ও ওয়াদা খেলাফের অপরাধে নবিজী (সাঃ) তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেবার স্বাভাবিক এখতিয়ার রাখেন। কিন্তু তিনি তা না করে উল্টো উমর (রাঃ)কে বলেন:
“হে উমর, তোমার কাছ থেকে তো উত্তম ব্যবহার আশা করা যায়। তুমি এভাবে না বলে বরং আমাকে বলতে পারতে- "আপনি তাঁর ঋণ পরিশোধ করুন"; অথবা তাকে বলতে পারতে- "আপনি সুন্দরভাবে ঋণের কথা বলুন"।
অসুন্দরের জবাব সুন্দর দ্বারা, নিকৃষ্ট আচরণের জবাব কিভাবে উত্তম দ্বারা দিতে হয় সেটা নবিজী (সাঃ) সাহাবীদেরকে (রাঃ) তথা আমাদেরকে শেখালেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) উমরকে (রাঃ) নির্দেশ দিলেন-
“উমর, যাও তার সাথে এবং তাকে তার ঋণ পরিশোধের পর আরো বিশ সা’ (৩২ কেজি) খেজুর দিও। কারণ, তুমি তাকে ভয় দেখিয়েছো"।
উমর (রাঃ) ইহুদিকে সাথে নিয়ে গেলেন। তাকে তার প্রাপ্য ঋণ প্রদান করলেন এবং সাথে আরো ৩২ কেজির অতিরিক্ত খেজুর দিলেন। ইহুদি তো অবাক! একে তো সে সময়ের আগেই পাওনা দাবি করেছে, তার উপর সবার সামনে নবিজীকে (সাঃ) অপমান করেছে। তবুও তার পাওনা পরিশোধের পর আরো ৩২ কেজি খেজুর অতিরিক্ত দিচ্ছেন!
সে জিজ্ঞেস করলো, “অতিরিক্ত এগুলো কেনো?”
উমর (রাঃ) বললেন, “কারণ, আমি তোমাকে হুমকি দিয়েছি। সেটার কাফফারা হিসেবে নবিজী (সাঃ) এগুলো দিতে বললেন।”
ইহুদি বললো, “উমর, তুমি কি জানো আমি কে?”
উমর (রাঃ) বললেন, “না, জানি না। তুমি কে?”
ইহুদি বললো, “আমি যায়িদ ইবনে সু’নাহ।”
তার নাম শুনে উমরের (রাঃ) চক্ষু চড়কগাছ! যায়িদ ইবনে সু’নাহ? মদীনার বিখ্যাত ইহুদি রাবাই (ইহুদিদের আলেম)? উমর (রাঃ) তার নাম জানতেন, কিন্তু তিনিই যে ঐ ব্যক্তি, সেটা তিনি জানতেন না।
যায়িদ ইবনে সু’নাহ বললেন, “হ্যাঁ, আমিই সেই ইহুদি রাবাই। আমাদের ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী মুহাম্মদের (সাঃ) নবী হবার প্রমাণের যতো ভবিষ্যৎবাণী পাওয়া যায়, সবগুলোই আমি তাঁর মধ্যে পেয়েছি। শুধু দুটো বিষয় পরীক্ষা করা বাকি ছিলো।” সেই দুটো ছিলো:
(১) তাঁকে কেউ রাগালে তিনি সহনশীলতা দেখাবেন; এবং (২) কেউ তাঁর কাছে এসে মূর্খের মতো আচরণ করলে তিনি সেই মূর্খের সাথে উত্তম আচরণ করবেন (অর্থাৎ তিনি মন্দের জবাব ভালোর মাধ্যমে দিবেন, নিকৃষ্টের জবাব উত্তমের মাধ্যমে)।
এবার যায়িদ ইবনে সু’নাহ বললেন:
“ও উমর, তুমি সাক্ষী থাকো- আমি আল্লাহকে আমার রব হিসেবে, ইসলামকে আমার ধর্ম হিসেবে এবং মুহাম্মদকে (সাঃ) আমার নবী হিসেবে মেনে নিলাম। আমার অনেক সম্পদ আছে। আমি আমার অর্ধেক সম্পদ ইসলামের তরে দান করে দিলাম"।
তথ্যসূত্র:
সহীহ ইবনে হিব্বান: ২৮৮, আল-বায়হাকী: ১১০৬৬, মুস্তাদারক হাকিম: ৬৫৪৭। ইমাম হাকিম ✍️✍️

Address

Jalpaiguri
735218

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Azad islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category