19/02/2026
২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার আর ৯ কোটি টাকা রিফান্ড!
রাজনীতি বা ক্ষমতা ছাড়াই যে সিস্টেম বদলে দেওয়া যায়, তার নাম আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আর ড. খালিদ হোসেন।
২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার!
সংখ্যাটা একবার কল্পনা করুন।
অভাবী মানুষের ঘরে ঘরে এই বিপুল পরিমাণ ইফতার পৌঁছে দিচ্ছে শায়খ আহমদুল্লাহর "আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন"।
এই পুরো ব্যাপারটার পেছনের ম্যাজিকটা কোথায় জানেন? এটা আমার আপনার দেওয়া দানের টাকা।
তিনি চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন যে,
জনগণের সেবা করার জন্য গদিতে বসা বা এমপি-মন্ত্রী হওয়া জরুরি না।
লাগে শুধু সততা, জবাবদিহিতা আর মানুষের বিশ্বাস।
যখন Interim Government গঠন হচ্ছিল,
ধর্ম উপদেষ্টা হওয়ার জন্য প্রথম ফোনটা কিন্তু আহমদুল্লাহ হুজুরই পেয়েছিলেন।
কিন্তু তিনি কী করলেন?
পদের মোহ ছেড়ে নিজের উস্তাদ,
দেশের অন্যতম সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিত্ব ড. আ ফ ম খালিদ হোসেনের নাম প্রস্তাব করলেন।
ফল কী হলো?
গত ১০ বছরের ইতিহাসে...
দেশবাসী সবচেয়ে কম খরচে হজ করার সুযোগ পেল।
শুধু তাই নয়,হজ্বের পর বেঁচে যাওয়া ৯ কোটি টাকা!!
সরকার হাজ্বিদের অ্যাকাউন্টে ফেরত দিয়েছে!
বিগত বছরগুলোতে আমরা কী দেখেছি?
এজেন্সির প্রতারণা, এয়ারপোর্টে কান্নাকাটি আর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য।
কিন্তু এই ১৮ মাসে কোনো অনিয়মের অভিযোগ নেই,
কোনো ভোগান্তি নেই।আরও কিছু পরিবর্তনের কথা না বললেই নয়:
✅ ইমামদের ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তা হিসেবে মর্যাদা দিয়ে গেছেন তিনি।
✅ গত ১৮ মাসে একটি মন্দিরেও হামলা হয়নি, কোনো পূজামণ্ডপ ভাঙচুর করা সম্ভব হয়নি। কারণ তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছিলেন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করলে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না।
খালিদ হোসেন স্যার আর শায়খ আহমদুল্লাহ প্রমাণ করে দিলেন, সততা আর যোগ্যতা থাকলে যেকোনো সেক্টরেই বিপ্লব ঘটানো সম্ভব।
স্যুট-টাই পরা শিক্ষিত দুর্নীতিবাজদের চেয়ে আমাদের এই সহজ-সরল মানুষগুলোই অনেক বেশি কার্যকর।
আপনারা দেখিয়ে দিয়েছেন,পরিশুদ্ধ মন আর নিয়ত থাকলে অসম্ভবকেও জয় করা যায়।
স্যালুট ড. খালিদ হোসেন! স্যালুট শায়খ আহমদুল্লাহ!
Copy post