tapasdipa volg

tapasdipa volg hello friends forever

বিবাহিত জীবনে বার বার স্ত্রীর প্রেমে পড়ার উপায় কী?আশাকরি পুরো গল্পটা পড়বেন। আফিস থেকে বাসায় ফেরার সময় হঠাৎ খেয়াল করি আমা...
02/07/2024

বিবাহিত জীবনে বার বার স্ত্রীর প্রেমে পড়ার উপায় কী?
আশাকরি পুরো গল্পটা পড়বেন।

আফিস থেকে বাসায় ফেরার সময় হঠাৎ খেয়াল করি আমাদের অফিসের একজন স্টাফ রাম হাতে একটা গোলাপ নিয়ে রাস্তায় পাশে দাঁড়িয়ে আছে। আমি গাড়ির কাঁচটা নিচে নামিয়ে বললাম,

-- আরে রাম , এইখানে কি করছো?

খালিদ গোলাপটা পিছন দিকে আড়াল করে বললো,

-বাড়ি যাবো স্যার, তাই রিকশার জন্য দাঁড়িয়ে আছি

আমি বললাম,

--তোমার বাসা কোথায়?

রাম মাথা চুলকাতে চুলকাতে বললো,

- উত্তরাতে স্যার

আমি অবাক হয়ে বললাম,

-- আরে আমার বাড়িও তো উত্তরাতে। আসো তোমার বাসায় নামিয়ে দেবো ।

রাম আমার কথা মত গাড়িতে উঠলো। ফুলটা যখন আমার চোখের সামনে থেকে আড়াল করতে চাইছিলো আমি তখন বললাম,

-- ফুল কার জন্য?

রাম লাজুক হাসি হেসে বললো,

- আমার স্ত্রী অর্পিতার জন্য?

-- আজ কোন স্পেশাল দিন নাকি?

-- জ্বি স্যার, আজকের দিনে আমি অর্পিতার প্রেমে পড়েছিলাম...

পরদিন অফিস থেকে যখন বাসায় ফিরবো তখন রাম কে ডেকে বললাম, চলো একসাথে যাই।

গাড়ি দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ রাম আমায় বললো,

-স্যার, সামনে ফুলের দোকানটাতে এক মিনিটের জন্য গাড়িটা একটু দাঁড় করাবেন?

আমি গাড়িটা দাঁড় করাতেই রাম তড়িঘড়ি করে গাড়ি থেকে নেমে ফুলের দোকানটাতে ঢুকলো আর কিছুক্ষণ পর একটা লাল গোলাপ নিয়ে আসলো। আমি বললাম,

-- আজকেও স্পেশাল দিন নাকি?

রাম আগের মতই লাজুক হাসি হেসে বললো,

-জ্বি স্যার, আজকের দিনে আমি অর্পিতাকে দেখে প্রেমে পড়েছিলাম।

আমি অবাক হয়ে বললাম,

-- তুমি না কালকে বলেছো কালকের দিনে তুমি তোমার স্ত্রীকে দেখে প্রেমে পড়েছিলে? আবার আজকে একই কথা বলছো?

রাম মাথা নিচু করে বললো,

-স্যার, আমি যতবার আমার স্ত্রীকে দেখি ততবার আমি প্রথম থেকে ওর প্রেমে পরি। তাই আমার কাছে প্রতিটা দিন স্পেশাল

ভালবাসার এমন সস্তা লজিক শুনে মেজাজটা খারাপ হয়ে গেলো। নিজের রাগটা কোন রকম কন্ট্রোল করে রাম কে বললাম,

-- নতুন নতুন বিয়ে করেছো হয়তো তাই তোমার কাছে প্রতিটা দিন স্পেশাল মনে হচ্ছে।

আমার মত দুই বছর সংসার করো তখন দেখবে সংসারটাকে জাহান্নাম মনে হবে।
রাম আর কিছু বললো না। আমি রেগে গেছি হয়তো সেটা বুঝতে পেরেছে। শুধু গাড়ি থেকে নামার সময় বললো,

- স্যার, আমি বিয়ে করেছি ৫ বছর ৯ মাস হতে চললো। বিশ্বাস করেন আমাদের ভালোবাসাটা এখনো প্রথম দিনের মতই আছে...

ঘরে আসার পর দেখি শ্রাবণী টিভি দেখছে। আমার আসার শব্দ শুনে শ্রাবণী কাজের মেয়ে শেফালিকে বললো,

- শেফালি তোর স্যার এসেছে। টেবিলে খাবার দে

খাওয়া দাওয়ার পর বিছানায় যখন শুয়ে আছি তখন শ্রাবণী এসে বললো,

- কাল আমার ৫০ হাজার টাকা লাগবে। একটা নেকলেস পছন্দ হয়েছে কাল সেটা কিনবো।

আমি রেগে গিয়ে বললাম,

-- তোমার দুইদিন পরপর এত গহনা লাগে কেন? টাকা তো নিজে ইনকাম করো না তাই টাকার মূল্য বুঝো না।

আমার কথা শুনে শ্রাবণী রেগে গিয়ে বললো,

- নিজের বউয়ের শখ আহ্লাদ পূরণ করতে পারো না কেমন পুরুষ তুমি?

আমি ওর কথার কোনো উত্তর দিলাম না। শ্রাবণী বালিশ নিয়ে অন্য রুমে চলে গেলো আর আমি শুয়ে শুয়ে রামের কথা ভাবতে লাগলাম,

হাদারাম বলে কি না স্ত্রীকে যখনি দেখে তখনি প্রেমে পরে। আরে আমারতো স্ত্রীর চেহারাটা দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায় প্রেমে পরবো দূরের কথা...

অফিসে আসার পর রাম কে আমার রুমে ডেকে এনে বললাম,

--তুমি খুব ভাগ্যবান পুরুষ।

আমি আমার স্ত্রীর পিছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করেও ভালোবাসার রঙ ধরে রাখতে পারি নি আর তুমি মাত্র ১৫টাকা দামের গোলাপ দিয়ে এত বছর ধরে ভালোবাসার রঙ ঠিক রেখেছো

রাম মুচকি হেসে বললো,

- স্যার, ভালবাসার রঙ কখনোই বদলায় না শুধু বদলে যায় আমরা আর আমাদের পাশে থাকা মানুষটি

আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম,

-- আমি বদলায় নি কিন্তু আমার স্ত্রী বদলে গেছে

রাম তখন বললো,

- বদলে যাওয়ার জন্য হয়তো আপনি নিজেই দায়ী

-- মানে?

রাম আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললো, স্যার, স্ত্রী হলো মাটির মত আর ভালোবাসা হলো জল ।

আপনি দুইটা একসাথে মিশিয়ে আপনার ইচ্ছে মত আকৃতি দিতে পারবেন।

আপনার স্ত্রী কখনোই আপনার কাছে লাখ টাকা দামের জিনিস চাইবে না যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তার পাশে ৩০টাকার ফুচকা খান।

আপনার স্ত্রী কখনোই আপনাকে বলবে না আমার দামী গাড়ি কিনে দাও যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে হুট খোলা রিকশায় এই শহরটা একটু ঘুরে বেড়ান। পুরো সংসারের কাজ কারার পরেও আপনার স্ত্রীর বলবে না কষ্ট হচ্ছে যদি আপনি আপনার স্ত্রীর কপালে ভালোবেসে একটা চুমু খান।

একজন স্ত্রীর চাহিদা তখনি বেড়ে যায় যখন স্বামীর সাথে তার দূরত্ব বেড়ে যায়। তখন সে গহনা

শাড়ি, দামী জিনিস এইসবের মাঝে নিজের ভালোলাগা খুঁজে বেড়ায়।

আমার চুপ করা দেখে রাম উঠে দাঁড়ালো। দরজার কাছে গিয়ে আবার আমার কাছে ফিরে এসে বললো,

-স্যার, ভালোবাসা শুধু দামী জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে না। মাঝে মধ্যে ভালোবাসা ১৫ টাকা দামের গোলাপ আর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ২৫ টাকা দামের কাঁচের চুরির মধ্যেও লুকিয়ে থাকে।

একটাবার বৌদি কে বলে দেখবেন ভালোবাসি দেখবেন আপনার চেয়েও হাজার গুণ ভালোবাসা বৌদি আপনাকে ফিরিয়ে দিবে।
ঘরে এসে দেখি শ্রাবণী ওর কিনা নতুন গহনা পরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখে শেফালিকে বললো,

- টেবিলে খাবার দে

পিছনে লুকিয়ে রাখা গোলাপটা বের করে শ্রাবণীকে দিয়ে বললাম,

-- তোমায় খুব ভালোবাসি আমি

শ্রাবণী অবাক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,

- তোমার ঐ হাতে কি?

আমি বললাম,

-- তেমন কিছু না। এক ডজন কাঁচের চুড়ি এনেছিলাম তোমার জন্য। ভেবেছিলাম নিজ হাতে তোমায় পরিয়ে দিবো কিন্তু তোমার এই এত দামী সোনার গহনার সাথে এই কাঁচের চুড়ি মানাবে না।

আমার কথা শুনে শ্রাবণী গহনা খুলে ফেলে দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললো,

-- কাঁচের চুড়িগুলো পরিয়ে দাও বলছি...
একটা ১৫টাকা দামের গোলাপ আর ১ ডজন কাঁচের চুড়ির মাঝে কি আছে আমার জানা নেই।
আমি শুধু অবাক হয়ে শ্রাবণীকে দেখছি।
হুট করেই দুই বছরের চেনা মানুষটা অচেনা হয়ে গেছে।
আজ সে নিজ হাতে আমার পছন্দের খাবার রান্না করছে অথচ ক'দিন আগেও আমার খাবারটা কাজের মেয়ে বেড়ে দিতো

এক ভোরে ঘুম থেকে জেগে, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মেয়েটি দেখলো─ তার মাথায় চুল আছে মাত্র ৩টি। "আহ্!"... বলে উঠলো সে, "আজ আমি বিন...
02/07/2024

এক ভোরে ঘুম থেকে জেগে, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মেয়েটি দেখলো─ তার মাথায় চুল আছে মাত্র ৩টি। "আহ্!"... বলে উঠলো সে, "আজ আমি বিনুনি করবো।" এবং সে ওই তিন চুল দিয়ে ছোট্ট একটি বিনুনি করে চমৎকার একটি দিন কাটালো।

পরদিন ভোরে জেগে, সে আয়নায় দেখলো─ মাথায় চুল কেবলমাত্র ২টি। "হুমমম।"... সে বললো, "আজ সিঁথি করলে ভালো হয়।" এবং সে দুই চুল দু'টি দু'পাশে সরিয়ে মাঝবরাবর সিঁথি করে উচ্ছল একটি দিন কাটালো।

এর পরের ভোরে জেগে আয়নার সামনে দাঁড়ালো সে, দেখলো─ মাথায় অবশিষ্ট আছে শুধুমাত্র ১টি চুল। "বাহ্!"... স্বগতোক্তি করলো সে, "আজ আমি ঝুঁটি বাঁধবো।" এবং চুলটিকে সে ঝুঁটি বানালো, অত:পর অপূর্ব একটি দিন অতিবাহিত করলো।

এর পরদিন ভোরে জেগে, আয়নার মুখোমুখি হলো সে, এবং দেখলো─ একটি চুলও নেই তার মাথা জুড়ে। "ইয়েএএএ!"... আনন্দে নেচে উঠলো সে, "আজ আমাকে চুল আঁচড়ানোর ঝক্কিই পোহাতে হবে না!"

বন্ধু, জীবনে, দৃষ্টিভঙ্গিই সব। কোন্ পরিস্থিতিকে কীভাবে দেখবেন, এ সম্পূর্ণ আপনারই ইচ্ছের উপর। একমাত্র আপনিই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন─ সুখী কিংবা দুখী হওয়ার। দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টান। কে কী করলো, বললো, শেখালো, থোড়াই কেয়ার করুন। আপনার জীবন, আপনারই। আপনার জীবনযাত্রায় আপনিই শ্রেষ্ঠতম
#দৃষ্টিভঙ্গিই

$

এক লোক খুব সুন্দরী এক মেয়েকে বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর ঐ ব্যক্তি তার বউকে প্রচন্ড ভালবাসতো। তাদের সংসার খুব সুখের ছিল। দু...
01/07/2024

এক লোক খুব সুন্দরী এক মেয়েকে বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর ঐ ব্যক্তি তার বউকে প্রচন্ড ভালবাসতো। তাদের সংসার খুব সুখের ছিল। দু’জন দু’জনকে প্রচন্ড ভালবাসতো।
কিন্তু হঠাৎ এলাকায় এক ধরনের “চামড়ার রোগ” মহামারী আঁকার ধারণ করলো।
হঠাৎ একদিন সুন্দরী মেয়েটার শরীরে ঐ রোগের লক্ষণ দেখা দিল। মেয়েটা বুঝতে পারলো এই রোগ তার পুরো শরীরের চামড়ায় ছড়িয়ে পড়বে এবং সে তার সৌন্দর্য হারাবে। যেদিন মেয়েটার শরীরে এই লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। সেই দিন মেয়েটার স্বামী অফিস থাকে বাড়ি ফেরার পথে এক্সিডেন্ট করলো। এই এক্সিডেন্টের পর লোকটা তার দু’চোখের দৃষ্টিশক্তি হারায়। দৃষ্টিশক্তি না থাকা সত্যেও লোকটার সাথে মেয়েটার সংসার সুন্দর ভাবে চলতে থাকে। এদিকে রোগের কারণে দিনের পর দিন মেয়েটার চেহারা কুৎসিত হতে থাকে। কিন্তু অন্ধ স্বামী বুঝতে পারে না, তার স্ত্রী দেখতে কতটা বিশ্রী হয়েছে। এভাবে চল্লিশ বছর তাদের সংসার সুখে শান্তিতে চলতে থাকে। তাদের চল্লিশ বছরের সংসারে ভালবাসা, সুখ, পরস্পরের নির্ভরশীলতা একই রকম রকম ছিল, যেন তারা সদ্য বিবাহিত দম্পতি। এভাবে চলতে চলতে, একদিন বৃদ্বা মহিলা মারা গেল। স্ত্রীর মৃত্যুতে অন্ধ লোকটা খুবই দুঃখ পেল, ভেঙ্গে পড়লো। কিন্তু দুনিয়াবী জীবনে কোন কিছুই চিরস্থায়ী না। সবাইকেই একদিন না একদিন ইহকালের জীবন ছেড়ে আখিরাতের জীবনে চলে যেতে হবে। অন্ধ লোকটা যখন তার প্রিয়তমা স্ত্রীকে কবরে শায়িত করে ফিরে আসছিল। তখন পিছন থেকে একজন ব্যক্তি অন্ধ লোকটাকে প্রশ্ন করলো, “কোথায় যাচ্ছ?”
অন্ধ লোকটি উত্তর দিল, “সে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে যে বাড়িতে তার স্ত্রী এতো বছর তারসাথে সংসার করেছে।” এই কথা শুনে, প্রশ্নকারী লোকটি অন্ধ লোকটিকে বললো, “তুমি কিভাবে একা একা বাড়ি ফিরবে! তুমি তো অন্ধ!”
অন্ধ লোকটি উত্তর দিল, “

সে একাই বাড়ি ফিরতে পারবে কারণ আদতে সে অন্ধ নয়। সে সব কিছুই দেখতে পায়।” এতো বছর সে তার স্ত্রীর সামনে অন্ধের অভিনয় করেছিল। কারণ সে যখন জানতে পেরেছিল তার স্ত্রী স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত হয়েছে, তখন সে এটা ভেবে ভয় পেয়েছিল যে, তার স্ত্রী হয়তো হীনম্মন্যতায় ভুগবে। হয়তো মনে মনে ভাববে তার স্বামী তাকে আগের মতো ভালবাসে না। নিজের অবস্থার জন্য কষ্ট পাবে।
তার স্ত্রী যেন নিজেকে কখনো ছোট অযোগ্য না ভাবে তাই সে চল্লিশ বছর একই ভাবে স্ত্রীকে ভালবেসেছে অন্ধের অভিনয় করে♥️♥️♥️🥰

গল্পটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে অবশ্যই
লাইক কমেন্ট করে জানাবেন।

#পজিটিভভাইবস #অনুপ্রেরণা #মোটিভেশন #ভাইরাল #ফলো #পেইজলাইক #বাংগালিব্লগ #ইন্সপিরেশন #বাংলাপোস্ট

30/06/2024
18/03/2023

Hi friends 👋😁👋😀

Address

Vill-berugram
Katwa
713129

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when tapasdipa volg posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to tapasdipa volg:

Share

Category