My God Love

My God Love Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from My God Love, Real Estate, KOLKATA.

 #একাদশী_বার্তা💙💛🩷আগামী  ১১/০৯/২০২৩ইং, রোজ সোমবার      শুভ "অন্নদা(পক্ষ বর্ধিনী মহাদ্বাদশী)" ব্রত।💛💙 #পারণের_সময়সূচীঃ💛💙 ...
11/09/2023

#একাদশী_বার্তা💙💛🩷
আগামী ১১/০৯/২০২৩ইং, রোজ সোমবার
শুভ "অন্নদা(পক্ষ বর্ধিনী মহাদ্বাদশী)" ব্রত।

💛💙 #পারণের_সময়সূচীঃ💛💙
পরের দিন রোজ, মঙ্গল বার

সকাল ০৫:৫০মিনিট হতে সকাল ৯:৪৫ মিনিটের মধ্যে (বাংলাদেশ সময়)

সকাল ০৫:২৪মিনিট হতে সকাল ৯:৩১ মিনিটের মধ্যে (পশ্চিমবঙ্গ সময়)।

একাদশী মাহাত্ম্য 💛💙

ভাদ্রবতী কৃষ্ণপক্ষীয়া অন্নদা একাদশীর মাহাত্ম্য ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে।মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন- হে কৃষ্ণ! ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম কি, তা শুনতে আমি অত্যন্ত আগ্রহী।শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! আমি সবিস্তারে এই একাদশীর কথা বর্ণনা করছি। আপনি একাগ্রচিত্তে শ্রবণ করুন।ভাদ্রের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীকে বলা হয় “অন্নদা”। এই তিথি সর্বপাপ বিনাশিনী। যিনি শ্রীহরির অর্চনে এই ব্রত পালন করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হন। এমনকি এই ব্রতের নাম শ্রবণেই রাশি রাশি পাপ বিদুরিত হয়ে যায়। এই ব্রত প্রসঙ্গে একটি পৌরাণিক ইতিহাস রয়েছে। প্রাচীনকালে হরিশ্চন্দ্র নামে এক নিষ্ঠাপরায়ন সত্যবাদী , চক্রবর্তী রাজা ছিলেন। পূর্ব কর্মফল ও প্রতিজ্ঞার সত্যতা রক্ষায় তিনি রাজ্যভ্রষ্ট হন। অবস্থা এমন হল যে, তিনি নিজের স্ত্রী-পুত্র এবং অবশেষে নিজেকেও পর্যন্ত বিক্রি করতে বাধ্য হলেন।হে রাজেন্দ্র! এই পুণ্যবান রাজা চণ্ডালের দাসত্ব স্বীকার করেও সত্যরক্ষার্থে দৃঢ়নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি শ্মশানে মৃতব্যক্তির বস্ত্রও কর রূপে গ্রহণ করতেন।

এইভাবে তাঁর বহু বছর কেটে গেল। দুঃখসাগরে নিমজ্জিত হয়ে ‘কি করি, কোথায় যাই, কিভাবে এ দুর্দশা থেকে উদ্ধার পাই’- এই চিন্তায় তিনি দিনরাত্রি বিভোর হলেন। এমন সময় দৈবক্রমে পরদুঃখদুঃখী গৌতম ঋষি রাজার কাছে এলেন। রাজা মুনিকে দর্শন করে ভক্তিভরে প্রণাম করলেন। করজোড়ে তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে একে একে নিজের সমস্ত কথা জানালেন। রাজার দুঃখের কথা শুনে মুনিবর বিস্ময়াপন্ন হলেন।অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে তিনি বললেন-‘ হে রাজন! ভাদ্র মাসে কৃষ্ণপক্ষের একাদশী অন্নদা নামে জগতে প্রসিদ্ধ। আপনি এই ব্রত পালন করুন। এই ব্রতের প্রভাবে আপনার সমস্ত পাপের বিনাশ হবে। আপনার ভাগ্যবশত আগামী সাত দিন পরেই এই তিথির আবির্ভাব হবে। ঐ দিন উপবাস থেকে রাত্রি জাগরণ করবেন। এইভাবে ব্রত উদযাপনে আপনার সমস্ত পাপক্ষয় হবে। হে রাজন! আপনার পুন্যপ্রভাবে আমি এখানে এসেছি জানবেন। এইকথা বলে গৌতম মুনি অন্তর্হিত হলেন। ঋষিবরের উপদেশ মতো তিনি শ্রদ্ধা সহকারে সেই ব্রত পালন করলেন। তার ফলে তাঁর সমস্ত পাপ দূর হল। হে মহারাজ! এই ব্রতের প্রভাব শ্রবণ করুন। যথাবিধি এই ব্রত পালনে বহু বছরের দুঃখভোগের অবসান হয়। ব্রতের প্রভাবে রাজা হরিশ্চন্দ্রের সকল দুঃখ সমাপ্ত হল। পুনরায় তিনি স্ত্রীকে ফিরে পেলেন এবং তাঁর মৃতপুত্রও জীবিত হল। আকাশ থেকে দেবগণ দুন্দুভিবাদ্য ও পুষ্পবর্ষণ করতে লাগলেন। নিষ্কণ্টক রাজ্যসুখ ভোগ করে অবশেষে আত্মীয়স্বজন ও নগরবাসী সহ স্বর্গে গমন করলেন। যে মানুষ নিষ্ঠা সহকারে এই ব্রত পালন করেন, তিনি শ্রীহরি চরণে ভক্তি লাভ করে অবশেষে দিব্যধাম গমন করেন। এই ব্রতের মাহাত্ম্য পাঠ ও শ্রবণে অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
🙏🙏🙏🙏
🔰যে মানুষ একাদশীর দিন শস্যদানা গ্রহণ করে
সে তার পিতা, মাতা, ভাই এবং গুরু হত্যাকারী এবং সে যদি বৈকুন্ঠলোকেও উন্নীত হয় তবুও তার অধঃপতন হয়।। (স্কন্দ পুরাণ)

তাই নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন এবং অন্যকেও একাদশী ব্রত পালনে উৎসাহিত করুন।।

🌿🌺একাদশী সংকল্প মন্ত্রঃ ---
"একাদশ্যাং নিরাহারঃ স্হিত্বা অহম্ অপরেহহনি।
ভোক্ষ্যামি পুন্ডরীকাক্ষ স্মরনং মে ভবাচ্যুত।।

অনুবাদ: হে পুন্ডরীকাক্ষ হে অচ্যূত আমি একাদশীর দিন উপবাস পূর্বক এই ব্রত পালন করার জন্য আপনার স্মরণ গ্রহণ করছি।

🌿🌺একাদশীর পারণ মন্ত্রঃ ---

”একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব॥”

অনুবাদ: হে কেশব! আমি অজ্ঞানরূপ অন্ধকারে নিমজ্জিত হইয়াছি, হে নাথ! এই ব্রত দ্বারা আমার প্রতি প্রসন্ন হইয়া আমাকে জ্ঞানরূপ চক্ষু প্রদান করুন।।

গোপনে পাপ করলে মানুষ তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে যায় আর গোপনে ভগবানের সেবা  করলে মানুষ শ্রেষ্ঠ হয়ে যায়।হরে কৃষ্ণ 🙏🍁🙏 ❤
11/09/2023

গোপনে পাপ করলে মানুষ তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে যায় আর গোপনে ভগবানের সেবা করলে মানুষ শ্রেষ্ঠ হয়ে যায়।
হরে কৃষ্ণ 🙏🍁🙏 ❤

05/09/2023

কৃষ্ণ নামেই প্রশান্তি, কৃষ্ণ নামেই মুক্তি
ধন্য হবে মানব জনম যদি থাকে ভক্তি.
❤️🙏 Hare Krishna 🙏❤️

🌼কৃষ্ণ নামের মাহাত্ম্য কি❓                        কি আছে এই কৃষ্ণ নামে❓🌸🥀💖🌿 একবার দেবর্শী নারদ ভাবলেন সবাই কৃষ্ণ নাম নেয...
05/09/2023

🌼কৃষ্ণ নামের মাহাত্ম্য কি❓
কি আছে এই কৃষ্ণ নামে❓🌸🥀

💖🌿 একবার দেবর্শী নারদ ভাবলেন সবাই কৃষ্ণ নাম নেয়, কিন্তু এই নামের মাহাত্ম্য কি জানতে হবে। তাই তিনি স্বয়ং ভগবানের কাছে তার এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে, ভগবান তাকে বললেন যম রাজের কাছে যাও সেখানেই তুমি তোমার এই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবে ।

⚜🥀তাই নারদ গেলেন যমালয়ে। যমরাজ দেবর্শী নারদ কে তার দরবারে দেখে বিস্মিত হয়ে তার সেখানে যাবার কারন জানতে চাইলেন ।

⚜🥀দেবর্শী বললেন, হে রাজন আমি আজ একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে এসেছি ! কৃপা করে বলুন এই কৃষ্ণ নামের মাহাত্ম্য কি ?

⚜🥀যমরাজ দেবর্শীর এই প্রশ্নের উত্তর দিতে ব্যর্থ হলেন ! তখন দেবর্শী নারদ দূর থেকে ভেসে আসা ক্রন্দন ও করুণ আর্তনাদ শুনতে পেলেন ।

⚜🥀নারদ যমরাজের কাছে এর কারন জানতে চাইলে যমরাজ বললেন, এই শব্দ হলো নরকে যে পাপী ব্যক্তিদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে তাদের আর্তনাদ ।

⚜🥀এই শুনে দেবর্শী সেই স্থানে যাবার প্রার্থনা জানান। তখন যমরাজ দেবর্শীকে বললেন ঠিক আছে, কিন্তু আপনি সেখানে গিয়ে কোনো কথা বলতে পারবেন না ! দেবর্শী নারদ রাজি হলেন
এবং যমরাজ নারদকে সেই স্থানে নিয়ে গেলেন ।

⚜🥀সেখানে গিয়ে সেই সব পাপীদের ভয়ংকর কষ্ট দেখে নারদ হা কৃষ্ণ! হা কৃষ্ণ! বলে ধ্বনি দিতে লাগলেন। আর এই ধ্বনি যখন পাপীদের কর্নে প্রবেশ করছে ধীরে ধীরে সবাই মুক্ত হয়ে স্বর্গ ধামে চলে যাচ্ছে !

⚜🥀এই হলো আমার কৃষ্ণ নামের মহিমা। কর্নে প্রবেশ করা মাত্রই সবাই সর্ব পাপ থেকে উদ্ধার হয়ে গেলো। আর এই নাম স্মরণের মহিমা তো অপার ।

💜🥀আসুন আমরা সবাই মিলে এই পবিত্র নাম স্মরণ করি ।

🥀হরেকৃষ্ণ🥀হরেকৃষ্ণ🥀কৃষ্ণকৃষ্ণ🥀হরেহরে🥀
🥀হরেরাম🥀হরেরাম🥀রামরাম🥀হরেহরে🥀

💜🌼 এই নামেই কলির মুক্তি🌼💜

05/09/2023

কর্ম করতে গিয়ে ধর্ম ভোলা যাবেনা
ধর্ম ঠিক রেখে কর্ম
করতে হবে😊
༊━হরে কৃষ্ণ━༊

05/09/2023

🙏🕉️ কর্ম তোমার ভালো হলে
ভাগ্য তোমার দাসী🕉️🙏
🙏🕉️মন যদি পবিত্র হয় ঘরেই মথুরা,
বৃন্দাবন আর কাশী🕉️🙏
🙏🕉️তাই, জম্ম হোক যেথায় সেথায়
কর্ম হোক ভালো🕉️🙏
🙏🕉️ কর্ম দিয়েই গড়তে পারো
জীবন প্রদীব আলো🕉️🙏

🙏হরে কৃষ্ণ 🙏

ধনীদের রোগ বেশি,     গরিবের ক্ষুদা বেশি, মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন বেশি।আর কৃষ্ণ ভক্তের বিশ্বস বেশি।🙏হরে কৃষ্ণ🙏 ❤
31/08/2023

ধনীদের রোগ বেশি,
গরিবের ক্ষুদা বেশি, মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন বেশি।
আর কৃষ্ণ ভক্তের বিশ্বস বেশি।
🙏হরে কৃষ্ণ🙏 ❤

11/08/2023

নমস্কার 🙏
আগামী ১২ই আগস্ট ২০২৩ইং শনিবার
২৬শে শ্রাবণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
পবিত্র পরমা একাদশী
পারনঃ পরের দিন সকাল ০৫:৩৩ থেকে ০৮:৫১ মি: মধ্যে ঢাকা, বাংলাদেশ সময় এবং সকাল ০৫:১৩ থেকে ০৮:২২ মি: মধ্যে কলকাতা, ভারত সময়।

ব্রত ও মাহাত্ম্যকথাঃ পুরুষোত্তম মাস অধিমাস কৃষ্ণপক্ষীয়া ‘পরমা’ একাদশীপদ্মপুরাণোল্লেখিত যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে অধিমাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একদাশী মহিমা দেখতে পাওয়া যায়। যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণের নিকট প্রশ্নকরলেন-অধিমাসে কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি? ব্রতের বিধান বা কি?

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে যুধিষ্ঠির! মানুষের ভুক্ত মুক্তি প্রদাতা এই পবিত্র একাদশীর নাম পরমা একাদশী অথবা কমলা একাদশী! তোমার প্রতি স্নেহ বশতঃঅশেষ মহিমাযুক্ত পুরুষোত্তম মাসের কৃষ্ণ-পক্ষীয়া একাদশীর মহিমা বলছি ব্রহ্ম মূহুর্তে শয্যা পরিত্যাগপূর্বক যথাবিহিত স্নান-আহ্নিকাদি সেরে ভগবানশ্রীবিষ্ণুর প্রীতি কামনায় শ্রীভগবানের নাম মন্ত্র জপ করতে হয়। গৃহেতে যে পরিমাণে জপ করবে নদীতীরে তার দ্বিগুণ, তদপেক্ষা গোষ্ঠে সহস্রবার,তীর্থে শতবার, তুলসীর নিকটে লক্ষবার এবং বিষ্ণুর সম্মুখে অসংখ্যবার জপ করতে হয়। অবন্তীনগরে বিশ্বকর্মা নামে এক সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ বাস করতেন।তাঁর পাঁচটি পুত্র ছিল। তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ পুত্রের নাম জয় শর্মা। কোন দুষ্কর্ম করায় পিতা মাতাও তাকে বাড়ী থেকে বহিষ্কৃত করে দেয়। কোন এক সময়ভ্রমণ করতে করতে এলাহবাদে এসে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান কার্য সমাপনান্তে ক্ষুধায় কাতর হয়ে মলিন বদনে কোন একমুনির আশ্রমে উপস্থিত হলেন।সে দিন আবার এই একাদশী তিথি। অনেক ভক্তবৃন্দ মুনি মুখপদ্ম বিগলিত একাদশী মহিমা শ্রবণ করতঃ ব্রত পালন করছেন। ঐ ব্রাহ্মণও ব্রত পালনকরে ব্রত কথা শুনলেন। তাঁর ব্রতোপবাসে সন্তুষ্ট হয়ে স্বয়ং লক্ষ্মীদেবী দর্শন দিয়ে বললেন- “ভক্তির সঙ্গে এই উপবাস পালন করায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি।তোমাকে বরদ দান করতে ইচ্ছা প্রকাশ করে আমি এসেছি। আমার নাম লক্ষ্মী আমি পরম কৃপালু নারায়ণ কর্তৃক প্রেরিত। বৈকুন্ঠ থেকে এসেছি। এইব্রতানুষ্ঠানে তোমার অধীনা হয়েছি। তোমার বংশে শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণগণ জন্মগ্রহণ করবে। আমি সত্যই বলছি-আমার নাম লক্ষ্মী।”

ব্রাহ্মণ বললেন- হে কমলে! সত্যিই যদি আমা প্রতি প্রসন্ন হয়ে বর দিতে চান তবে এই ব্রতকথা ভালরূপে বর্ণন করলে আরও দ্বিজগণ এই ব্রতকথায়প্রবৃত্তি লাভ করতে পারবেন। এই ব্রতে ভগবান শ্রীনারায়ণকে ভক্তিভরে পূজা করতে হয়, নিরাহারে অবস্থান পূর্বক পরদিন দ্বাদশীতে পুণ্ডরীকাক্ষেরপূজা নৈবেদ্যান্তে প্রসাদন্ন পারণ করতে হয়। শ্রীকৃষ্ণ বললেন, লক্ষ্মীদেবী বর প্রদান করে অন্তর্হিতা হলেন। অনন্তর সেই বিপ্রধনশালী হয়ে সুখে হরিস্মরণ করে দেহান্তে ভগদ্ধামে গমণ করেন।কমলার আশীর্বাদে ব্রাহ্মণ ধন্য হইয়েছিলেন। তাই এই একাদশীকে ‘কমলা’ একাদশীও বলা হয়। আবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মহারাজ যুধিষ্ঠিরকে একমনোরম কাহিনী বলছেন! একদা কাম্পিল্য নগরে সুমেধা নামে এক ধার্মিক ব্রাহ্মণ বাস করতেন। পবিত্রা নাম্নী তাঁর এক পতিব্রতা সহধর্মিনী ছিল। কিন্তুকোন পাপকার্য্যরে জন্য তারা এত দরিদ্র হলো যে অন্ন-বস্ত্র পর্যন্তও তাদের জোটেনি। এর মধ্য দিয়েও যদি কখনও অতিথি আসে তখন নিজেরা না খেয়েযতটুকু সম্ভব অতিথি সৎকার করতেন। ব্রাহ্মণের স্ত্রীর মনে একটুও দুঃখ ছিল না। একদিন ব্রাহ্মণ-ব্রাহ্মণীকে বলছেন- হে ব্রাহ্মণী! আমি কিছু ধনেরপ্রত্যাশী হয়ে বিদেশী যাত্রা করতে চাই, বুদ্ধিমান ব্যক্তি উদ্যম ও উৎসাহকে ভঙ্গ করে না, সামর্থকে অবহেলা করা উচিৎ নয়। তখন ব্রাহ্মণী বলছেন- হেস্বামিন! আপনার চেয়ে অধিক বিদ্বান আমি নই, তবে এইটুকু জানি-বিদ্যা, ধন, দারিদ্রতা সর্বত্রই পূর্বজন্মার্জিত ফল।

পূর্বজন্মে কোন ফল না থাকলেবর্তমানে কি কেউ সুখে থাকতে পারে। আমরা ধন সম্পদ অনেক পেয়েছিলাম-কিন্তু কাউকে অন্ন দান করিনি। তাই আমাদের অন্ন জুটছে না। হে পতিদেবতা! তুমি ধনের জন্য অন্যত্র গেলে আমাকে লোকে দুর্ভাগা বলে নিন্দা করবে অতএব তুমি এখানে থেকে যা লাভ কর ওতেই আমি সন্তুষ্ট হই।পতিব্রতার কথা শুনে ব্রাহ্মণ দেশে রয়ে গেলেন। একদিন তাদের ভগ্ন কুটিরে কৌণ্ডিল্য মুনি এলেন। পরম শ্রদ্ধা সহকারে পাদ্যার্ঘদ্বারা উভয়ে মুনিকেপ্রণাম করে সস্ত্রীক বিধিপূর্বক ভোজন করালেন। ব্রাহ্মণী জিজ্ঞাসা করলেন- হে মহামুনে! কিসে দারিদ্রতা নাশ হয়? এমন কোন উত্তম ব্রতের কথা বলুনযাতে পাপ-দুঃখ দারিদ্রতা দুর হয় এবং ভগবানে ভক্তির উদয় হয়! তখন কৌণ্ডিল্য মুনি বললেন, মলমাসে অধিমাসে কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ব্রত ভুক্ত মুক্তিপ্রদায়িনী, সর্বপাপ বিনাশিনী, সর্ব সুখদায়িনী এবং ভগবানের অতীব প্রিয়তমা তিথি। প্রথমে কুবের এই ব্রত পালন করেছিলেন। রাজা হরিশ্চন্দ্র এইব্রত পালনে স্ত্রী-পুত্র ও রাজ্য ফিরে পেয়েছিলেন। হে বিশালাক্ষী! এই জন্য তোমারাও এই ব্রত পালন কর।

হে পাণ্ডব! কৌণ্ডিন্য মুনির উপদেশে পতি-পত্নী উভয়ে একসঙ্গে বিধীমতো পুরুষোত্তম মাসের পরমা একাদশী ব্রত পালন করলেন। ব্রত সমাপনের পররাজভবন থেকে এক রাজকুমার তাঁদের কাছে এলেন। ব্রহ্মার প্রেরণায় তিনি বউ ধনসম্পদ, নতুন গৃহ ও গাভী এই দম্পতীকে দান করেলন। এই দানেরফলে মৃত্যুর পর সেই রাজা বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হয়েছিল। এইভাবে পরমা ব্রতের প্রভাবে ব্রাহ্মণ-দুম্পতির সকল দুঃখের অবসান হল। যে মানুষ এই একাদশী ব্রত পালন না করেন তিনি চূড়াশি লক্ষ যোনিতে ভ্রমণ করেও কখনও সুখী হয় না। বহু পূণ্য কর্মের ফলে দুর্লভ মানব-জন্ম লাচহয়। তাই মানব-জীবনে এই একাদশী ব্রত পালন করা অবশ্য কর্তব্য। এই মাহাত্ম শুনে মহারাজ যুধিষ্ঠির তাঁর আত্মীয়বর্গের সঙ্গে এই ব্রত পালন করেছিলেন ।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

09/07/2023

"ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন"
🥀আমাকে পুজা করার জন্য যদি
ভোগ্য বস্তু না থাকে,🥀
🦋তাহলে শুধু তুলসীপত্র দিয়ে
পুজা করো।🦋
🥀🦋তাও যদি না থাকে,
শুধু চোখের এক ফোঁটা
জল দিয়ে পুজা করো,,,🥀🦋
..........🥀♥♥হরে কৃষ্ণ🙏🦋

14/06/2023

Hare krihsna🙏

14/06/2023

একাদশীব্রত পালনের নিয়মাবলি :-

একাদশীর মূল কাজ হল– নিরন্তর ভগবানকে স্মরণ করা । তাই আপনারা যে নিয়মে, যে সময়ে পালন করুন না কেন, ভগবানকে ভক্তিভরে স্মরণ করাই যেন আপনারই মূল কাজ হয়। আমরা একাদশী পালনের সাত্ত্বিক নিয়মটি উল্লেখ করছি । এটি পালন করা সবার উচিত ।

১। সমর্থ পক্ষে দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার করিবেন।

২। তা হতে অসমর্থ পক্ষে শুধুমাত্র একাদশীতে অনাহার।

৩। যদি উহাতেও অসমর্থ হন, একাদশীতে পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করতঃ ফল মূলাদি অনুকল্প গ্রহণের বিধান রহিয়াছে।

সমর্থ পক্ষে রাত জাগরণের বিধি আছে , গোড়ীয় ধারায় বা মহান আচার্য্যবৃন্দের অনুমোদিত পঞ্জিকায় যে সমস্ত একাদশী নির্জলা ( জল ব্যতীত ) পালনের নির্দেশ প্রদান করেছেন । সেগুলি সেমতে করলে সর্বোওম হয় । নিরন্তর কৃষ্ণভাবনায় থেকে নিরাহার থাকতে অপারগ হলে নির্জলাসহ অন্যান্য একাদশীতে কিছু — সবজি , ফলমূলাদি গ্রহণ করতে পারেন ।

যেমন — গোল আলু , মিষ্টি আলু , চাল কুমড়ো , পেঁপে , টমেটো, , ফুলকপি ইত্যাদি সবজি ঘি অথবা বাদাম তৈল দিয়ে রান্না করে ভগবানকে উৎসর্গ করে আহার করতে পারেন । হলুদ, মরিচ, ও লবণ ব্যবহার্য । আবার অন্যান্য আহায্য যেমন — দুধ ,কলা , আপেল , আঙ্গুর, আনারস, আখঁ, আমড়া শস্য, তরমুজ, বেল, নারিকেল, মিষ্টি আলু , বাদাম ও লেবুর শরবত ইত্যাদি ফলমূলাদি খেতে পারেন।

একাদশীতে পাচঁ প্রকার রবিশস্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছেঃ

১। ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – চাউল, মুড়ি, চিড়া, সুজি, পায়েশ, খিচুড়ি, চাউলের পিঠা, খৈ ইত্যাদি

২। গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – আটা,ময়দা, সুজি , বেকারীর রূটি , বা সকল প্রকার বিস্কুট ,হরলিকস্ জাতীয় ইত্যাদি ।

৩। যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — ছাতু , খই , রূটি ইত্যাদি ।

৪। ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — মুগ মাসকলাই , খেসারী , মসুরী, ছোলা অড়রহ , ফেলন, মটরশুটি, বরবটি ও সিম ইত্যাদি ।

৫। সরিষার তৈল , সয়াবিন তৈল, তিল তৈল ইত্যাদি । উপরোক্ত পঞ্চ রবিশস্য যেকোন একটি একাদশীতে গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয় ।

উল্লেখ্য যারা সাত্ত্বিক আহারী নন এবং চা , বিড়ি / সিগারেট পান কফি ইত্যাদি নেশা জাতীয় গ্রহণ করেন, একাদশী ব্রত পালনের সময়কাল পর্যন্ত এগুলি গ্রহণ না করাই ভালো ।

একাদশী করলে যে কেবলমাত্র নিজের জীবনের সদ্ গতি হবে তা নয় । একাদশী ব্যক্তির প্রয়াত পিতা / মাতা নিজ কর্ম দোষে নরকবাসী হন , তবে সেই পুত্র ই (একাদশী ব্রত ) পিতা – মাতাকে নরক থেকে উদ্ধার করতে পারে । একাদশীতে অন্ন ভোজন করলে যেমন নরকবাসী হবে , অন্যকে ভোজন করালেও নরকবাসী হবে । কাজেই একাদশী পালন করা আমাদের সকলেরই কর্তব্য ।

একাদশী পারণ (একাদশী তিথির পরদিন উপবাস ব্রত ভাঙ্গার পর নিয়ম):

পঞ্জিকাতে একাদশী পারণের ( উপবাসের পরদিন সকালে ) যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া থাকে , সেই সময়ের মধ্যে পঞ্চ রবিশস্য ভগবানকে নিবেদন করে, প্রসাদ গ্রহণ করে পারণ করা একান্ত দরকার । নতুবা একাদশীর কোন ফল লাভ হবে না ।

একাদশী ব্রত পালনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কেবল উপবাস করা নয় , নিরন্তর শ্রীভগবানের নাম স্মরণ , মনন , ও শ্রবণ কীর্তনের মাধ্যমে একাদশীর দিন অতিবাহিত করতে হয় । এদিন যতটুকু সম্ভব উচিত । একাদশী পালনের পরনিন্দা, পরিচর্চা, মিথ্যা ভাষণ, ক্রোধ দুরাচারী, স্ত্রী সহবাস সম্পূর্ণ রূপে নিষিদ্ধ ।

একাদশীতে নিষিদ্ধ বিষয়াবলীঃ

১. একাদশী ব্রতের আগের দিন রাত ১২ টার আগেই অন্ন ভোজন সম্পন্ন করে নিলে সর্বোত্তম।

২. ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাঁশ করে দাঁত ও মুখ গহব্বরে লেগে থাকা সব অন্ন পরিষ্কার করে নেওয়া সর্বোওম । সকালে উঠে শুধু মুখ কুলি ও স্নান করতে হয়।

৩. একাদশীতে সবজি কাটার সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন কোথাও কেটে না যায় । একাদশীতে রক্তক্ষরণ বর্জনীয় । দাঁত ব্রাশঁ করার সময় অনেকের রক্ত ক্ষরণ হয়ে থাকে । তাই একাদশীর আগের দিন রাতেই দাঁত ভালো ভাবে ব্রাশঁ করে নেওয়াই সর্বোওম ।

৪. একাদশীতে চলমান একাদশীর মাহাত্ন্য ভগবদ্ভক্তের শ্রীমুখ হতে শ্রবণ অথবা সম্ভব না হলে নিজেই ভক্তি সহকারে পাঠ করতে হয় ।

৫. যারা একাদশীতে একাদশীর প্রসাদ রান্না করেন , তাদের পাচঁ ফোড়ঁন ব্যবহারে সতর্ক থাকা উচিৎ । কারণ পাঁচ ফোড়ঁনে সরিষার তৈল ও তিল থাকতে পারে যা বর্জনীয় ।

৬. একাদশীতে শরীরে প্রসাধনী ব্যবহার নিষিদ্ধ । তৈল ( শরীরে ও মাথায় ) সুগন্ধি সাবান শ্যাম্পু ইত্যাদি বর্জনীয় ।

৭. সকল প্রকার ক্ষৌরকর্ম — শেভ করা এবং চুল ও নক কাটা নিষিদ্ধ ।

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when My God Love posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category