22/03/2024
১/ সকালে হোক আর বিকালে হোক রোজা অবস্থায় কাঁচা-সুখা সব রকম দাঁতন করা যাবে।
এতে রোজার কোন ক্ষতি হবে না।
২/ রোজা অবস্থায় মাথার চুল কাটলে, হাত ও পায়ের নখ কাটলে,দাড়ি-মোচ সেফ করলে ও গুপ্ত পশম কাটলে রোজার কোন ক্ষতি হয় না ।
৩/ রোজা অবস্থায় গোসলের সময় গোটা শরীরে সাবান মাখলে, মাথায় শ্যাম্পু দিলে, তেল মাখলে, বডি ওয়েল মাখলে, চোখে সুরমা-কাজল দিলে ও আতর ব্যবহার করলে রোজার কোন ক্ষতি হয় না।
৪/ রোজা করে যদি কান সুড়সুড় করে, তার পর কানে কাঠি ভরে কান চুলকায় তাতে রোজার কোন ক্ষতি হবে না।
৫/ রোজা অবস্থায় মায়েরা বাচ্চাকে দুধ পান করালে রোজাও ভাঙ্গে না ওজুও নষ্ট হয় না।
৬/ যদি কেউ তারাবীহ না পড়ে তাহলে সে সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ ত্যাগ করার দরুন গুনাহগার হবে, কিন্তু তার রোজা হয়ে যাবে। তারাবীহ পড়ে না বা পড়তে পারে না, এই বাহানায় রোজা ছেড়ে দেওয়া হারাম।
৭/ ভোর রাতে ঘুম না ভাঙ্গার কারনে বা ইচ্ছাকৃত সাহরী না খেলেও রোজা হয়ে যাবে।
যদি সে যথা সময়ে রোজার নিয়ত করে থাকে এবং সাহরীর সময় শেষ হওয়ার পর কিছু পানাহার না করে থাকে।
৮/ রোজা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হয়ে গেলে গোসল করা ফরজ হয়ে যাবে কিন্তু তাতে রোজা নষ্ট হবে না।
৯/ রমজান মাসে রাত্রী বেলায় স্ত্রী সহবাস জায়েয আছে।
তবে হ্যাঁ দিনের বেলায় রোজা অবস্থায় মিলন করা হারাম।
১০/ শুধু রমজান বলা ঠিক নয়। মাহে রমজান বা রমজান মাস বলতে হবে।
১১/ সেহরী শব্দটা উচ্চারণগত ভুল। সঠিক শব্দ হলো সাহরী।
১২/ ৮ রাকাত তারাবীহ পড়া বেদাত, বিশ রাকাত তারাবীহ পড়া সুন্নাত।
১৩/ ফেৎরার পরিমাণ - ১৬৬০ গ্রাম গম ভুল প্রথা। ফেৎরার সঠিক পরিমাণ বা ওজন হলো ২ কিলো ৪৭ গ্রাম গম।
১৪/ ২কিলো ৪৭ গ্রাম গমের বাজার দর মূল্যে টাকা দিয়েও ফেৎরা আদায় করা জায়েয আছে।
১৫/ ইফতার করার দোওয়াটা ইফতারের পর পড়া সুন্নাত।
সুন্দর পদ্ধতি হচ্ছে - বিসমিল্লাহ বলে ইফতার করুন, ইফতার করে দোওয়া পড়ুন।
১৬/ বেতেরের নামায এক রাকাত নয়। বরং তিন রাকাত এবং ওয়াজিব।
১৭/ রোজা অবস্থায় হাত পা ইত্যাদি কেটে রক্ত বের হয়ে গেলে রোজা ভঙ্গ হবে না।
১৮/ রোজা অবস্থায় ঔষধ জাতীয় ইনজেকশন করলে রোজার কোন ক্ষতি হবে না। তবে হ্যাঁ পানাহারের কাজ করে এবং ইনজেকশন নেওয়া যাবে না।
১৯/ রোজা অবস্থায় কাউকে রক্ত দিলে বা ব্লাড টেস্ট করালে রোজার কোন ক্ষতি হবে না।
২০/ রোজা অবস্থায় কানে নাকে ড্রপ ইত্যাদি দেওয়া নিষেধ। তবে হ্যাঁ রোজা অবস্থায় চোখে ড্রপ দেওয়ার অনুমতি আছে।
২১/ রোজা অবস্থায় মুখের ভিতরের লালা বা রস যেটা অটোমেটিক গলায় যাওয়া আসা করে, তাতে রোজার কোন ক্ষতি হবে না। তবে হ্যাঁ মুখের ভিতরে ইচ্ছাকৃত থুথু জড়ো করে সেটা গিলে নিলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
২২/ রোজা অবস্থায় রান্না করার সময় সালুন বা তরকারির এমন ভাবে নুন চাখা যেটা জিভেই থেকে যায় গলার নিচে যায় না , তাতে অসুবিধা নাই।
তবে হ্যাঁ গলার ভিতরে চলে গেলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
২৩/ রোজা অবস্থায় কলগেট ইত্যাদি যে কোন মাঁজন ব্যবহার করা নিষেধ। আর গুল আরও কঠিন নিষেধ।
২৪/ রোজা অবস্থায় বিড়ি সিগারেট ইত্যাদি পান করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
২৫/ শরীয়তের বিধান মেনে রোজা অবস্থায় হাস মুরগী ও ছাগল ইত্যাদি জবেহ করলে রোজার কোন ক্ষতি হবে না।