fake ভালোবাসা

fake ভালোবাসা sad galpo

plz follow my page

19/10/2023

তোমাদের কি মায়া হয়না
ফিল্সতিনি দের উপর
🇦🇪🇦🇪🇦🇪
আমরা কি মুসলিম 😔

দশম শ্রেণীতে পড়তাম!!আম্মা ১০০০ টা টাকা দিলেন,সাথে একটাবাজারের লিস্ট!!বাজার করতে গিয়ে পকেটে হাত দিয়ে দেখিটাকা গায়েব!!ছোট ...
12/10/2023

দশম শ্রেণীতে পড়তাম!!
আম্মা ১০০০ টা টাকা দিলেন,সাথে একটা
বাজারের লিস্ট!!বাজার করতে গিয়ে পকেটে হাত দিয়ে দেখি
টাকা গায়েব!!
ছোট পথ SAKIL তন্ন তন্ন করে টাকা খুঁজতে লাগলাম!!
মধ্যবিত্ত সংসার ১০০০ টাকা বলতে আমাদের কাছে পাহাড়সমান!!
পাবো না জেনেও পাগলের মত টাকা খুঁজতেছি,ঘর থেকে
ছোটভাই পিটুকে আমার খোঁজে পাঠিয়েছেন আম্মা!!ঘরে নাকি
রান্না চড়ানো হয়নি এখনো,আমি প্রচন্ড টেনশনে মুখগোমড়া
করে বসে আছি,পিটু বাড়ি চল বাড়ি চল বলে ঘ্যানঘ্যান করতে
লাগলো,ঠাস করে গালে একটা চড় বসিয়ে দিলাম!!পিটু হতভম্ব
হয়ে তাকিয়ে আছে,আমি হু হু করে অবুজের মত কান্না করতে
লাগলাম!!পিটুর ফর্সা গালে দাগ বসে আছে!!সে কি বুঝলো ঠিক
জানি না, বাড়ি ফিরে গেলো!!আমি ভয়ে অস্থির!!আজকে পিঠের
ছাল বোধয় আর থাকবে না!!কি জানি পিটু গিয়ে মাকে কি বলে!!
লুকিয়ে যাবো কিনা তাও বুঝতে পারছি না!!আমি কি ভেবে স্তব্ধ
হয়ে বসে কান্না করতে লাগলাম!!
একটু পর দেখি পিটু হাতে মাটির একটা ব্যাংক নিয়ে আমার কাছে
এগিয়ে এলো!!আমি হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছি,পিটু এসে
বললো ভাইয়া ব্যাংকটা ভেঙ্গে ফেলো!!জানিনা কতটাকা
হয়েছে,একবছর ধরে জমিয়েছি!!বাবা প্রতিদিন দুটাকা দেয়!!মাও
দিতো!!ভাইয়া তুমিও অনেক টাকা দিয়েছো!!আমার কাছে হিসেব
আছে।তুমি এ পর্যন্ত একশো পঞ্চান্ন টাকা দিয়েছো!!কিছু না
ভেবে পিটুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম!!বোধয় অনেক্ষণ
ধরে কেঁদেছি!!পিটু বললো ভাইয়া শুধু কি কান্না করতে থাকবে
নাকি ব্যাংকটা ভেঙ্গে টাকা বের করবে!!মা অপেক্ষা করছে
তো,
দুভাই মিলে রাস্তার উপর ব্যাংক ভেঙ্গে টাকা গুনছি!! আমার মনে
হলো এই দৃশ্যটা পৃথিবীর সবচাইতে সেরা একটি দৃশ্য!! প্রায়
বারোশত টাকা জমিয়েছে পিটু!!অনেকদিনের জমানো টাকা খরচ
করতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু আমার উপায় নেই।বাজার বাবত নয়শো
টাকা খরচ করেছি!!পঞ্চাশ টাকা দিয়ে পিটুর জন্যে নতুন একটা ব্যাংক
কিনলাম এবং সেখানে বাকী টাকাগুলো ফেলে দিলাম!!তার কাছে
ওয়াদা করলাম এবার থেকে আমিও টাকা জমিয়ে তার দেয়া ঋণ
শোধ করবো।সে তাকিয়ে হাসলো!!পিটু আর আমি দুভাই দুটো
জিলাপী কিনে বাজার সহ বাসায় রওয়ানা হয়েছি!!
সেদিন দেরি করার জন্যে মার হাতে অনেক মার খেয়েছি।কিন্তু
পিটুর ভালোবাসার কাছে সেদিন মারগুলো অতি তুচ্ছ মনে হল!!
পিটুর সপ্তম শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে!!
সে পাশ করতে পারেনি!!আমি বেশ চিন্তিত।বাবা নিশ্চই পিটুকে
আস্ত রাখবে না!!ঘরে গিয়ে বাবাকে কিছু জানাই নি!!মা বেশ
কয়েকবার জিজ্ঞেস করলেন।আমি ভয়ে ভয়ে জবাব দিলাম পিটু
ফেল করেছে!!মা বেশ বিব্রত বোধ করলেন!!এটা বাবাবে
বললে ছোট্ট পিটুকে আস্ত রাখবেন না।বাবা বেশ রাগী কিনা!
কিন্তু সে রাতে বাবা কেমন করে জানি জেনে গেলেন
ব্যাপারটা।স্কুলে ফোন করেছিলেন বোধয়!!তারপর ছোট্ট
পিটুকে এমন মার মারলেন দেখে আমি আর মা কাঁদতে লাগলাম!!
পিটুকে সেদিন বাঁচাতে পারিনি ভয়ে!!রাতে মা জুবুথুবু হয়ে কাঁদছেন!!বাবা অনেক বকেছেন মা কে?
আমি জানি পিটু কোথায় লুকিয়ে থাকবে!!আমি চুপি চুপি রান্নাঘরে
গিয়ে প্লেটে ভাত বেড়ে পুরোনো আসবাব রাখার ঘরের
ছাদে উঠে গেলাম!! হাতে ভাতের প্লেট পকেটে মোমবাতি
আর দিয়াশলাই!!পিটুর সারাগায়ে মারের দাগ,সে আমাকে জড়িয়ে
ধরে কাঁদতে লাগলো,সাথে আমি কাঁদছি!!মোমবাতি জ্বালিয়ে
পিটুকে ভাত খাইয়ে দিলাম।পিটু বললো ভাইয়া আমাকে কি
কোনো ক্রমেই অষ্টম শ্রেণীতে তুলতে পারবে না?
পরেরবার থেকে খুব ভালো করে পড়বো,আর দুষ্টুমি
করবো না সত্যি বলছি তোমায়!!
কিচ্ছু ভাবিনি সেদিন,পরেরদিন সোজা গিয়ে মাস্টার চাচার পা চেপে
ধরেছি,কঠিন শপথ করে বলেছি আমি খুব করে পড়াবো চাচা!!
আপনি না বলেন আমি ভালো ছাত্র,মেধাবী ছাত্র!!আমার ভবিষ্যৎ
নাকি উজ্জ্বল!!চাচা আপনার সেই মেধাবী ছাত্রই আপনার পা ছুয়ে
বলছে আমার ছোট্ট পিটু পারবে দয়া করে পিটুকে পাশ করিয়ে
দিন!!
মাস্টার চাচার মন গললো!!বোর্ড পরীক্ষা ছিলো না বিধায়
হেডস্যারকে খুব রিকোয়েস্ট করে পিটুকে অষ্টম
শ্রেণীতে তুলে দিলো!!
ঠিকই পরের বছর অবিশ্বাস্য ভাবে পিটু চারটা সাবজেক্ট লেটার
মার্ক নিয়ে বেশ ভালোভাবে পাশ করলো,আমার কষ্ট পিটু
সার্থক করলো!!পুরো স্কুলে সবচাইতে বেশি নম্বর
পেলো!!
আমার খুশি দেখে কে!!খুশিতে আমি পিটুকে জড়িয়ে ধরে
অনেক্ষণ কাঁদলাম বেশ মন ভরেই কাঁদলাম ঠিক যেদিন হাজার টাকা
হারিয়ে ফেলেছিলাম সেদিনের মত!!বাবা কাঁদলেন,কাঁদলেন মা
আর মাস্টার চাচা!"
অর্থকষ্টের মধ্যেও খুশিতে বাবা ঘোষণা করলেন আমরা
বেড়াতে যাবো!!নীলগিরির নীল আকাশে সবাই হারিয়ে যাবো,
২৭ ডিসেম্বর গেলাম পুরো একটা দিন অনেক মজা করলাম!!রাতে
ফেরার পথে ঘন কুয়াশার কারণে আমাদের ড্রাইভার দিক হারিয়ে
ফেললো,গাড়ি উঁচুনিচু রাস্তার পাশের খাদে পড়ে গেলো!!
ঠিক কতদিন পর জানি না চোখ খুলে দেখলাম বাবা-মার চোখ
ভীষণ ফোলা!!তারা আমাকে জাগতে দেখে হু হু করে
কেদে উঠলো।মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করলাম মনের
অজান্তে অস্ফুট স্বরে পিটু পিটু করতে লাগলাম!!চোখের
কোণায় অশ্রু গড়িয়ে পড়লো!!জানি না কেনো!!
হ্যাঁ সেদিন আমি জাগলেও পিটু আর জাগে নি,দুর্ঘটনার সাথে
সাথেই আমার ছোট্ট পিটু আর ড্রাইভার মারা যায়।মা-বাবাও কম বেশি
ব্যাথা পান,আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আর পিটুকে সেদিনই
দাফন করা হয়!!
সুস্থ হওয়ার পরে পিটুর কবরের পাশে দাড়িয়ে চিৎকার করে
বললাম পিটু ওঠ আমার ভাই,তোকে আমি নবম শ্রেণীতে ভর্তি
করবো।তুই হবি আমার স্কুলের ছাত্র হয়ে পাশ করা প্রথম ডাক্তার!!
তুই আমার কাছে ওয়াদা করেছিলি পিটু ভালো করে পড়বি!!তোকে
ওঠতে হবে পিটু,তোর হাজার টাকার ঋণ যে শোধ করা হলোনা!!!

(সমাপ্ত)
অসমাপ্ত গল্প

যারা এখনো আমাদের গ্রূপে জয়েন না হয়ে গল্প পড়ছেন তারা এখনোই আমাদের গ্রূপে জয়েন হয়ে নিন আমাদের গ্রুপ টা পাবলিক করা আমাদের গ্রূপের গল্প গল্প মন ছুঁয়ে যাবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে জয়েন হন 📕সাহিত্য-কাব্য📗

একটি শর্ট গল্প মাঝরাতে হঠাৎ ফোনটা উচ্চশব্দে বেজে ওঠে। ভীষণ বিরক্ত হয় মীরা। এখন কি কল আসার সময়? বালিশের নিচ থেকে ফোনটা নি...
11/10/2023

একটি শর্ট গল্প
মাঝরাতে হঠাৎ ফোনটা উচ্চশব্দে বেজে ওঠে। ভীষণ বিরক্ত হয় মীরা। এখন কি কল আসার সময়?
বালিশের নিচ থেকে ফোনটা নিয়ে নিভু নিভু চোখে একবার তাকায় ফোনের স্কিনে। মাইশা নামটা জ্বল জ্বল করছে।
মীরার বিরক্ত আরও বেড়ে যায়। এই মেয়েটার একটাই স্বভাব মাঝরাতে হুটহাট কল করবে। তারপর তার বয়ফ্রেন্ডের নামে নালিশ দেবে।
হয়ত আজকেও মিহাল ভাইয়ার সাথে ঝগড়া হয়েছে। তাই মীরাকে নালিশ দেওয়ার জন্য কল করছে।
মীরা ফোনটা বন্ধ করে বালিশের নিচে রেখে আবারও ঘুমিয়ে পড়ে।

সকালে মায়ের ডাকে ঘুম ভাঙে মীরা।
একটা কথা কানে বারবার বাজছে
"মীরা মাইশা সুইসাইড করেছে"
প্রথমে মীরা নিজের শোনার ভুল ভেবে আবারও ঘুমানোর চেষ্টা করে। তখন এলাকার মসজিদের মাইক থেকে উচ্চশব্দ ভেসে আসে। সেখানেও বলা হচ্ছে
"এলাকাবাসী দুঃসংবাদ। মজিবুর রহমানের মেয়ে মাইশা ইন্তেকাল করিয়াছেন।
এবার মীরা এক লাফে উঠে বসে। তার হাত পা কাঁপছে।

" মাইশা আর নেই।
মীরা কয়েক সেকেন্ড স্তব্ধ হয়ে বসে থাকে। বালিশের নিচ থেকে ফোনটা বের করে। অনেক গুলো মেসেজ এসেছে মাইশা রহমান নামের আইডি থেকে।
শেষ মেসেজটা এমন ছিলো "কাল আমার কবরে মিহালকে এক মুঠো মাটি দিতে বলিস। আমার বাবা আর বাকিদের সাথে মিহালও যেনো আমার খাটিয়া বহন করে আমাকে কবর পর্যন্ত নিয়ে যায়"

মীরা এবার চিৎকার করে ওঠে। হাত পা কাঁপছে তার।
কাঁপা কাঁপা হাতে মিহালকে কল করে।
বেশি সময় নেয় না সাথে সাথেই ফোনটা রিসিভ হয়।
মীরার কথা না শুনেই মিহাল বলে ওঠে
"মীরা আমি বিয়ে করে নিয়েছি। মাইশা আমার ক্লাসের ছিলোই না। ওর মতো মেয়ের সাথে রিলেশন করা যায় কিন্তু বিয়ে না।
মাইশাকে এটা বোঝাও। মেয়ে মানুষ এতো আত্মসম্মানহীন কি করে হতে পারে? মাইশাকে পুরো এক সপ্তাহ ধরে বুঝিয়ে যাচ্ছি ওকে আমার ভালো লাগে না। তবুও কুকুরের মতো পেছনে পড়ে আছে।

মীরা কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলে। মনে পড়ে গত এক সপ্তাহ ধরে মাইশাকে ইনগোর করছে মীরা। মাইশা কিছু বলতে চাচ্ছিলো মীরা শুনে নি৷

" মীরা আমাকে একটু শান্তিতে থাকতে দাও প্লিজ। ওই পাগলকে বোঝাও৷

মীরা দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বলে
"মাইশাকে প্রপোজ করলেন আপনি। পেছন পেছন ঘুরলেন আপনি। দুই বছর ধরে পাগলও বানালেন আপনি৷ আবার এখন পাগল বলে তাচ্ছিল্যও করছেন আপনি। মাইশা খুব বোকা মিহাল ভাই। তাইতো পাগলের মতো আপনাকে ভালোবেসেছিলো। আপনার হাতের এক মুঠো মাটি পাবে বলে দুনিয়াটাও ছেড়ে দিলো।
আপনি শান্তিতে থাকুন। পাগল আর আপনাকে জ্বালাবে না

মীরা কল কেটে দেয়।
মেসেঞ্জারে ঢুকে।
মাইশার হাজার হাজার মেসেজ।
" আমার সাথে একটু কথা বল না মীরা। আমি না ম*রে যাচ্ছি। স্যার বলে প্রচন্ড কষ্টের কথা কারো সাথে শেয়ার করলে কষ্ট কমে। আমার কষ্টটা কমিয়ে দে না।

"মীরা মিহাল বিয়ে করে নিয়েছে। আমি ওকে অন্য কারো পাশে সয্য করতে পারবো না রে।

" মীরা তোকেও আর কখনো আমি ডিস্টার্ব করবো না।
শুধু আজকে একটু কথা বল।

"মীরা আমার ছোট বোনটাকে দেখে রাখিস। আমার মা বাবাকেও একটু দেখিস।
তোরা ভালো থাকিস।

এরকম আকুতি ভরা অনেক মেসেজ। ফোনটা বুকে জড়িয়ে কেঁদে ওঠে মীরা। নিজে হাতে বেস্টফ্রেন্ডটাকে মে*রে ফেললো। মীরা কাল একটু কথা বললে হয়ত মাইশার মনোভাব পরিবর্তন হয়ে যেতো। হয়ত মাইশা একটু সাহস পেতো। বেঁচে থাকার একটা রাস্তা খুঁজে পেতো।

মীরা ছুঁটে দেখতে যায় মাইশাকে৷ বাড়ি ভর্তি মানুষ। উঠোনে সাদা কাফনে মুরিয়ে খাটিয়াতে শুয়িয়ে রাখা হয়েছে মাইশাকে৷
মাইশার মা বাবা বোন সবাই কাঁদছে৷ মাইশাকে এক নজর দেখার জন্য সবাই ছুটে আসছে৷
কিন্তু সে আসলো না যার জন্য আজকে মাইশা এভাবে শুয়ে আছে।
একটা ছেলের জন্য মাইশা এই সুন্দর পৃথিবীটাকে বিদায় জানালো।

মেইন রোডের পাশে মাইশাকে কবর দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন মীরা নিয়ম করে মাইশার কবরের পাশে বসে থাকে৷ কতো কথা বলে। কিন্তু এখন মাইশা মীরার সঙ্গ চাইছে না।
যখন মাইশার মীরাকে দরকার ছিলো তখন পাই নি। আজকে দরকার নেই অথচ মীরা তার আশেপাশেই থাকে।
মানুষ এমনই।

" মানুষ মরে যায় মানুষের অভাবে
অথচ মানুষ বুঝতেই পারে না"
#সবার_আগে_নতুন_গল্প_পেতে_আইডিতে_ফলো_করুন

যারা এখনো আমাদের গ্রূপে জয়েন না হয়ে গল্প পড়ছেন তারা এখনোই আমাদের গ্রূপে জয়েন হয়ে নিন আমাদের গ্রুপ টা পাবলিক করা আমাদের গ্রূপের গল্প গল্প মন ছুঁয়ে যাবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে জয়েন হন 👉👉 📕 সাহিত্য ডাইরি 📗

19/05/2023
জানিনা ভাগ্যে তুমি আছো কি নাকিন্তু আমি তোমাকে অস্মভাবভালোবাসি 👈💚✊🥀Nadeem Nk Mu
09/04/2023

জানিনা ভাগ্যে তুমি আছো কি না
কিন্তু আমি তোমাকে অস্মভাব
ভালোবাসি 👈💚✊🥀
Nadeem Nk Mu

Address

Barrackpore
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when fake ভালোবাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category