18/02/2026
একটা সময় মিসকিন পাগল রাস্তায় রাস্তায় ঘোরাঘুরি করতো ও কাগজ এবং বোতলসহ ময়ল-আবর্জনা কুড়াতো। তখন মিসকিনকে কেউ এভাবে চিনতো না। কিন্তু মিসকিনের ফেস সোশ্যাল মিডিয়াতে সামান্য একটু পরিচিত ছিল। সেসময় আলহাজ্ব উদ্যোগ নেয় স্কিনের মানসিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার। তাকে কিভাবে গোসল করতে হয়, কিভাবে খাওয়া দাওয়া করতে হয়, কিভাবে পোশাক পরিধান করতে হয়। সবকিছু দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার মাধ্যমে আয়াত আনার চেষ্টা করে। আলহাজ্ব মিসকিনকে তার নিজের বাড়িতে রাখতো, এক বিছানায় তারা দুজন ঘুমাতো, কাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যেতো, ল। এতে করে, মিসকিন ও আলহাজ্বকে ভালবাসতে শুরু করে। সর্বোপরি আলহাজ ভালই সফল হয়।
আলহাজ্ব নিজের কাজকর্ম বাদ দিয়ে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেয় মিসকিনের বাড়ি ঘর ঠিক করার জন্য______ (আলহাজ্বেরও এখনে কিছুটা লাভ ছিল, মিসকিনের মাধ্যমে তার পেজ বড় হতে থাকে এবং সেও সকলের কাছে পরিচিত হতে থাকে। যা তার ফেসবুকে আরনিং বাড়িয়ে দেয়)।______ সে প্রবাসী ও বাংলাদেশীদের সহায়তায় মিসকিনের ভাঙ্গা জরজীর্ণ বাড়িটি ঠিক করে দেয়। তখনই মিসকিনের মা বুঝতে পারে, আলহাজের কাছে টাকা আসে ফেসবুকের মাধ্যমে। আর এটা কার মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে মিসকিন।
বাড়ি উঠানো শেষ হলে দিন দিন আলহাজ্বের প্রতি মিসকিনের মায়ের আচরণ পরিবর্তন হয়।যে মিসকিনের মা আলহাজ্বকে সব সময় নরম ভাবে কথা বলতো, সে মিসকিনের মা আলহাজ্বের সাথে দাম্ভিকতার সাথে কথা বলা শুরু করে। কিন্তু আলহাজ থেমে থাকেনি, মিসকিনকে ঢাকা নিয়ে যায় মানসিকভাবে সুস্থ করার জন্য। সেখান থেকে ডাক্তার দেখিয়ে বাসায় আনার পর, মিসকিনের মায়ের লোভ চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
কারণ, কিছু কনটেন্ট ক্রিয়েটর মিসকিনদের বাসায় আসতো মিসকিনের মাকে বলতো তার ছেলের মাধ্যমে আলহাজ্ব অনেক টাকা ইনকাম করতেছে। আর এই লোভে পড়ে মিসকিনের মা আলহাজ্বকে তাদের বাসায় আসতে না করে দেয় এবং স্কিনের সাথে কোন ধরনের ভিডিও করতে না করে দেয়। এখন মিসকিন অত্যন্ত অবহেলা ও অযত্নে থাকায় আবারো মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- আলহাজ্ব বিভিন্ন গান-বাজনার অনুষ্ঠানে মিসকিনকে নিয়ে যেত। এটাকে আমরা সমর্থন করি না। আমরা চাই আলহাজ্ব ইসলামিক আদর্শের মাধ্যমে সকল কর্মকান্ড (নামাজ পড়তে নিয়ে যাওয়া, বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি)বাস্তবায়িত করে মিসকিনকে আবার সুস্থ করে তুলুক।