06/08/2026
আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, রিয়াজুল জান্নাহ (রওজা শরীফ) পরিদর্শনের জন্য পারমিট বুকিং সাধারণত কমপক্ষে ১০-১৫ দিন আগে দিতে হয়। এই সময়ের মধ্যে বুকিং না দিলে পরবর্তীতে স্লট খালি পাওয়া যায় না, ফলে অনেক উমরাহকারী চাইলেও পারমিট নিতে পারেন না।
সমস্যা হলো, আমাদের অধিকাংশ উমরাহকারীর ভিসা হাতে আসে রাওজা জিয়ারতের মাত্র ৫-৬ দিন বা তারও কম সময় আগে। এত কম সময়ে স্বাভাবিক নিয়মে পারমিট স্লট বুক করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকি:
১. আমরা আগে থেকেই কিছু পারমিট বুকিং করে রাখি।
২. উমরাহকারীদেরকে আমরা আমাদের পূর্ব-বুকিংকৃত পারমিট দিয়ে থাকি, যাতে তারা নির্ধারিত সময়েই রওজা শরীফ পরিদর্শন করতে পারেন।
৩. একই সাথে, তাদের নতুন পাওয়া ভিসা ব্যবহার করে আমরা পরবর্তী সময়গুলোর জন্য নতুন পারমিট বুকিং দিই — যা ভবিষ্যতে অন্য উমরাহকারীদের কাজে লাগে।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, এটি একটি "বুকিং এক্সচেঞ্জ" পদ্ধতি — যার মূল উদ্দেশ্য হলো, কোনো উমরাহকারী যেন সময়মতো ভিসা না পাওয়ার কারণে রিয়াজুল জান্নাহ পরিদর্শনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।
এই পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে উমরাহকারীদের সুবিধার্থে পরিচালিত হয়। এতে বুকিং ও ভিসার সময়ের ব্যবধান সমন্বয় করা হয়।
সুতরাং, আপনি যদি নিজেই মোয়াল্লিম বা এজেন্সির প্রতিনিধি হয়ে থাকেন, তাহলে এই বিষয়ে আপনার সম্মতি দেওয়া জরুরি। আর যদি আপনি মোয়াল্লিম/এজেন্সি এবং আমাদের মাঝে শুধু মধ্যস্থতা করে থাকেন (অর্থাৎ সরাসরি প্রতিনিধি না হয়ে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন), তাহলে দয়া করে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ অনুমতি নিয়ে তারপর ভিসা প্রদান করবেন।
দ্বিতীয়ত, আমরা কেবল মোয়াল্লিম পর্যায়ে পারমিট বুকিং দেই। মোয়াল্লিম ব্যতীত কোনো ব্যক্তি পারমিটের জন্য যোগাযোগ করলে সেক্ষেত্রে আমাদের থেকে কখনোই পারমিট নিবেন না – এ বিষয়ে ওয়াদাবদ্ধ থাকতে হবে।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে হালাল-হারাম মেনে চলার তওফিক দান করুন। আমীন।